
নিজস্ব সংবাদদাতা,সিউড়ি ,১২ ই জুলাই :পৌরসভার নজর এড়িয়ে চলছে বেআইনি পুকুর ভরাট। প্রশ্নের মুখে সিউড়ি শহরের জল ধরো জল ভরো
পুকুর ভরাট আইনত অপরাধ। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জলাশয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তবু বেআইনি ভাবে একের পর এক সিউড়ির জলাশয় গুলি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে প্রশাসনের চোখের সামনে। বেশ কয়েকদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তিকে উপেক্ষা করে মাটি ভরে পুকুর ভরাট চলছিল সিউড়ির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। পুকুর ভরাট নিয়ে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বিক্ষোভ জানায়। অভিযোগ জানানো হয় এলাকার কাউন্সিলরকে, কিন্তু লাভ হয়নি কোন। কাউন্সিলার মনিদিপা মুখার্জি করেনি সাধারণ মানুষের কথায়।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ রাতের অন্ধকারে বেআইনিভাবে পাম্প লাগিয়ে পুকুর থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে জল। এরপর জেসিবি মেশিন দিয়ে মাটি ভরাট করাচ্ছে পুকুর মালিক। বাসিন্দাদের আরো অভিযোগ কাদের স্বার্থে প্রশাসন নির্বিকার ? শহরে দ্রুত জনসংখ্যা বাড়ছে। ফাঁকা জমিতে গড়ে উঠেছে ফ্ল্যাট বাড়ি। সিউড়িতে ছিল অসংখ্য জলাশয়। বেআইনি ভাবে সেইসব জলাশয় ভরিয়ে বিপুল দরে বিক্রি হচ্ছে জমি। ৬ পল্লীর বাসিন্দারা জানান সব জেনেও তাঁরা ভয়ে মুখ বুজে আছেন তারা। এক শ্রেণীর স্বার্থে প্রকৃতির ভারসাম্যকে নষ্ট করে বুজিয়ে দেওয়া হচ্ছে সিউড়ির জলাশয়গুলি ।
পুকুর ভরাট নিয়ে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ উড়িয়ে তিনি জানান, পুরো ব্যাপারটা আমার নজর এড়িয়ে হয়েছে। আমি কিছু দিনের জন্য বাইরে ছিলাম সে সময়ই এমন কাজ হয়েছে। ফিরে এসে ঘটনা জানার পরই আমি বন্ধ করার কথা বলেছি। পাশাপাশি সমস্ত ব্যাপার জেলাশাসক কেউ জানিয়েছি।
পাশাপাশি বীরভূম জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরীও জানান, ঘটনার প্রকৃত তদন্ত হবে। দোষীদের শাস্তি হবে, যদি কেউ বেআইনিভাবে পুকুর ভরাট করে থাকে তাহলে তার জন্য যে আইন রয়েছে সেই আইনি ব্যবস্থা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।


















