রাজ্য – বাংলায় কোন কোন আসনে দলের সাংগঠনিক শক্তি কতটা মজবুত, কোথায় জয়ের সম্ভাবনা আছে, তা খতিয়ে দেখতে এবার জেলায় জেলায় ‘স্ক্রিনিং’-এ যাবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। রবিবার প্রদেশ দপ্তর কলকাতার বিধান ভবনে টানা দু’ঘণ্টার বৈঠকে এ নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিজেপি ও আরএসএসকে রাজ্যে দলের মূল শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং লড়াই গ্রামে গ্রামে, প্রত্যন্ত এলাকায় নেমে করতে হবে।
প্রদেশ নির্বাচনী কমিটির বৈঠকে প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এআইসিসি কেন্দ্রীয় স্ক্রিনিং কমিটির চেয়ারম্যান বি কে হরিপ্রসাদ, কমিটির এআইসিসি পর্যবেক্ষক সাংসদ মহম্মদ জাভেদ, রাজ্যে পর্যবেক্ষক গোলাম মীর, ওয়াররুম কমিটির চেয়ারম্যান বি পি সিং, ঝাড়খণ্ডের বিধায়ক মমতা দেবী, এআইসিসি সম্পাদক অম্বা প্রসাদ, রাজ্যের একমাত্র সাংসদ ইশা খান চৌধুরী ও প্রাক্তন সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য।
সূত্রের খবর, স্ক্রিনিং কমিটির চেয়ারম্যান বি কে হরিপ্রসাদ বৈঠকে বলেন, “আমাদের মূল শত্রু বিজেপি আর আরএসএস। লড়াই কঠিন। গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত নামতে হবে। তার জন্য প্রস্তুত থাকুন।” দিল্লির নেতৃত্ব চাইছে রাজ্যে দলীয় সংগঠনের বাস্তব শক্তি যাচাই করতে।
রাজ্যকে সাংগঠনিকভাবে পাঁচটি জোনে ভাগ করে, প্রত্যেক বিধানসভা থেকে তিনজন প্রার্থীর নাম চাওয়া হয়েছে। জেলা, ব্লক ও প্রদেশের কমিটির যেকোনও সদস্য প্রার্থী হতে চাইলে তার নামও পাঠানো যাবে। নির্বাচনী কমিটি, স্ক্রিনিং কমিটি ও জেলায় নিযুক্ত পর্যবেক্ষকরা মাটিতে নেমে খতিয়ে দেখবেন কোন প্রার্থীর পরিচিতি ও সংগঠনের ভিত কতটা মজবুত। এর ভিত্তিতে এআইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
জোট নিয়ে বৈঠকে বলা হয়েছে, এআইসিসির নির্দেশনায় সংগঠন মজবুত করতে মনোযোগ দিতে হবে। গোলাম মীর বলেন, “নিজেদের নিজেরা পরখ করুন। নিজেদের শক্তি যাচাই করুন। নিজেদের কেন্দ্রে ভিত মজবুত করুন।”




















