প্রধানমন্ত্রী ভার্চ্যুয়ালি ২০২১-এর মেরিটাইম ইন্ডিয়া শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন

প্রধানমন্ত্রী ভার্চ্যুয়ালি ২০২১-এর মেরিটাইম ইন্ডিয়া শীর্ষ সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নতুনদিল্লি, ২রা মার্চ , ২০২১:প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২১-এর মেরিটাইম ইন্ডিয়া শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন। ডেনমার্কের পরিবহণ মন্ত্রী মিঃ বেনি ইংলেব্রেশট, গুজরাট ও অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও শ্রী মনসুখ মাণ্ডবিয়া (বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী) এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 

স্বাগত ভাষণে শ্রী মান্ডবিয়া বলেছেন, এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ অনলাইন সম্মেলন। ১০০ টি দেশের ১লক্ষ ৭০ হাজার নিবন্ধীকৃত অংশগ্রহণকারী এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। তিনদিনের এই সম্মেলনের ৮টি দেশের মন্ত্রী, ৫০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার মূখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক এবং ২৪টি দেশের ১১৫ জন সহ মোট ১৬০ জন বক্তা অংশ নিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে ‘ম্যারিটাইম ইন্ডিয়া ভিশন -২০৩০’ বৈদ্যুতিন গ্রন্থটি প্রকাশ করেছেন। এই বইতে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য ভারতীয় সামুদ্রিক বাণিজ্য সংক্রান্ত পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী ‘ সাগর-মন্থন ‘ -সামুদ্রিক বাণিজ্যিক সচেতনতা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন। সমুদ্রপথে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, নিখোঁজ জাহাজের অনুসন্ধান ও উদ্ধারের ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য এই কেন্দ্র থেকে পাওয়া যাবে।প্রধানমন্ত্রী ভারতের উন্নয়নযজ্ঞে সামিল হতে সারা বিশ্বকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সামুদ্রিক বাণিজ্যের বিকাশের বিষয়ে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে এবং বিশ্বের অগ্রগণ্য নীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে উঠে আসছে।প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইতস্ততভাবে উদ্যোগ নেওয়ার পরিবর্তে সার্বিকভাবে পুরো ক্ষেত্রের বিকাশের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে বন্দরগুলি মালপত্র ওঠানো-নামানোর ক্ষমতা ছিল বার্ষিক ৮,৭০০ লক্ষ টন। বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে বার্ষিক ১৫,৫০০ লক্ষ টন। ভারতের বন্দরগুলি বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে যেমন : সরাসরি বন্দরে পণ্য সরবরাহ, সরাসরি বন্দরে ঢোকা এবং বন্দর বিষয়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাপনায় সহজ তথ্য বিনিময়। আমাদের বন্দরগুলিতে পণ্যবাহী জাহাজ ঢোকা অথবা পণ্যবাহী জাহাজ বেরোনোর অপেক্ষার সময় কমানো সম্ভব হয়েছে। বাধাবন, পারাদ্বীপ ও গুজরাটের দীনদয়াল বন্দরে বিশ্বমানের পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।তাঁর বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেছেন, “ভারতের বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত আপনাদের অপেক্ষায়। ভারতের কঠোর পরিশ্রমী জনসাধারণ আপনাদের অপেক্ষায়। আমাদের বন্দরগুলিতে বিনিয়োগ করুন। আমাদের জনসাধারণের মধ্যে বিনিয়োগ করুন। আপনাদের বাণিজ্যিক গন্তব্যের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠুক ভারত। ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ভারতীয় বন্দরগুলি আপনাদের বন্দর হয়ে উঠুক।”এই অনুষ্ঠানের ভিডিও দেখার জন্য নীচের লিঙ্কটি ক্লিক করুনঃ https://youtu.be/t46PPbw3YGc

আরো পড়ুন…দুস্থের সেবা করায় ” আইকন অব নর্থবেঙ্গল ” পুরস্কার পেলেন রায়গঞ্জের বিশিষ্ট শিল্পপতি

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top