দেশ – আন্তর্জাতিক চিতা দিবসের প্রাক্কালে ৪ ডিসেম্বর এক্স হ্যান্ডেলে বিশেষ বার্তায় প্রকৃতিপ্রেমীদের এক বড় সুখবর জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০২২ সালে বহু প্রশ্ন ও সংশয়ের মধ্যেই শুরু হয়েছিল ‘প্রোজেক্ট চিতা’। মাত্র ২০টি চিতা দিয়ে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগ আজ পরিণত হয়েছে এক অনন্য সাফল্যে—মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে ভারতে চিতার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩২।
এর মধ্যে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য—২১টি চিতার জন্ম হয়েছে ভারতেই। অর্থাৎ, হারিয়ে যাওয়া প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে এটি আজ এক মাইলফলক উদাহরণ। নভেম্বর মাসেই ভারতজন্মা স্ত্রী চিতা ‘মুখি’র গর্ভে জন্ম নিয়েছে আরও পাঁচটি সুস্থ শাবক। এরা প্রকৃত অর্থে এখানে আনা চিতাদের তৃতীয় প্রজন্ম।
প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন, চিতা সংরক্ষণ ভারতের সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। শুধু সংখ্যা বাড়ানোই নয়, মূল লক্ষ্য হল ভারতের হারিয়ে যাওয়া বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনা—এবং সেই কাজেই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
বর্তমানে কুনো জাতীয় উদ্যান এবং গান্ধীসাগর অভয়ারণ্য– উভয় জায়গাতেই চিতারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করছে। বেড়েছে ‘চিতা ট্যুরিজম’-এর জনপ্রিয়তাও। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান—বিশ্বের বন্যপ্রাণপ্রেমীরা যেন ভারতে এসে এই দুর্লভ মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করেন।
দেশীয় উদ্যোগ এবং ‘চিতা মিত্র’দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যে নতুন পরিবেশ-প্রতিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, ভারতের চিতা সাফল্য আজ সেই পরিবর্তনেরই প্রতীক।




















