
নিউজ ডেস্ক,মালদা: ফুলহার নদীর শঙ্করটোলা বাঁধে ভাঙন। ইতিমধ্যে তলিয়ে গিয়েছে মন্দির। ভোর রাত থেকে ভাঙনের ফলে মানুষ আতঙ্কে ঘর ছাড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে বাঁধ সংলগ্ন এলাকার মানুষদের ঘর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেচ দপ্তরের কর্মীরা বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ব্রিজ তৈরির সময় পিলারের পাশের মাটি কাটা হয়। তারপর থেকে নদী বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। প্রশাসন সব জানলেও নির্বিকার। প্রথম থেকে ব্যবস্থা নিলে এধরনের ভাঙন হত না। মানুষকে ঘর ছেড়ে যেতে হত না। সম্প্রতি নদীর জল কমতে শুরু করেছে আর তার ফলে বাঁধের অংশ বসে গিয়ে এধরনের বিপত্তি। তবে যে ভাবে বাঁধ বসছে তাতে আরোও অনেক বাড়ি ঘর নদী গর্ভে চলে যাবে। এদিকে ভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান দক্ষিন মালদার সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী(ডালু)। অন্যদিকে ছুটে আসেন তৃণমূল নেত্রী তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র। সাবিত্রী মিত্র বলেন, বাদ ভাঙ্গনের পরে এলাকার মানুষজন আতঙ্কে রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রশাসনের কর্তারা কাজ করছেন। ভাঙ্গনরোধে কাঁদিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রশ্ন তোলেন বাঁধ মেরামতির জন্য যে ভেটিভার গাছ লাগানো হয়েছিল তার কাজ কোথায়।
দক্ষিণ মালদার সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী বলেন, বাঁধের কাজ সঠিক ভাবে হলে এ ধরনের ভাঙানের ঘটনা ঘটত না। মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। এদিন ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। সমস্ত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে জানাবো। পাশাপাশি সমস্ত ঘটনা রাজ্য সরকারকেও বলবো।



















