খেলা – আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বর্তমানে ভারতের প্রতিটি ম্যাচ ও ইনিংস বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কোন কম্বিনেশন কার্যকর হচ্ছে, কোথায় ঘাটতি—এই হিসেব চলছে কেবল টিম ম্যানেজমেন্ট নয়, ক্রিকেটপ্রেমীরাও তা নিয়ে আলোচনা করছেন। শনিবারের মধ্যে ভারতের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় ভারতের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে। আহমেদাবাদে শেষ ম্যাচ জিতে ট্রফি জয় ছাড়াও বিশ্বকাপের রূপরেখা অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গেছে। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া ও সঞ্জু স্যামসন, স্পিন আক্রমণে কার্যকারিতা দেখিয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী।
ওপেনিংয়ে গিলের জায়গা প্রায় নিশ্চিত
অধিনায়ক এবং ওপেনিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও অপেক্ষারত হলেও সহ-অধিনায়ক শুভমান গিল-কে ওপেনিংয়ে রাখার সম্ভাবনা প্রবল। বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার সঙ্গে ওপেন করবেন গিল। এর ফলে ঈশান কিষান-এর সুযোগ কমে যাচ্ছে, যদিও তিনি সদ্য মুস্তাক আলি ট্রফিতে ভালো ফর্মে ছিলেন।
উইকেটকিপারদের লড়াই
সঞ্জু স্যামসন স্কোয়াডে থাকছেন, তবে প্রথম একাদশে নিয়মিত খেলবেন কি না তা স্পষ্ট নয়। ঋষভ পন্থের প্রত্যাবর্তন নিয়ে সংশয় থাকায়, তাঁকে নেওয়া হলে জিতেশ শর্মা জায়গা হারাতে পারেন। তাই পন্থের অন্তর্ভুক্তি বর্তমানে সম্ভাবনাময়ী কম।
বোলিং কম্বিনেশন প্রায় চূড়ান্ত
স্পিন বিভাগে চারজন: কুলদীপ যাদব, ওয়াশিংটন সুন্দর, অক্ষর প্যাটেল, বরুণ চক্রবর্তী। পেস বোলিংয়ে থাকছেন জসপ্রীত বুমরাহ, অর্শদীপ সিং ও হর্ষিত রানার। অলরাউন্ড বিকল্প হিসেবে স্কোয়াডে থাকতে পারেন হার্দিক পাণ্ডিয়া ও শিবম দুবে।
অধিনায়কের ফর্মই বড় চ্যালেঞ্জ
দল কাগজে শক্তিশালী হলেও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এখনও ছন্দে ফিরতে পারেননি। শেষ ম্যাচেও মাত্র ৫ রানে আউট হওয়ায় উদ্বেগের কারণ তৈরি হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে খুব বেশি ম্যাচ না থাকায় তাঁর ব্যাটিং ফর্ম টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিন্তার বিষয়।




















