রাজ্য – চলতি বছরে জাঁকিয়ে শীত পড়েছিল বাংলায়। নভেম্বরের শুরু থেকেই রাজ্যের সর্বত্র শীতের আমেজ টের পাওয়া গিয়েছিল। মাঝেমধ্যে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়লেও ডিসেম্বরে কনকনে ঠান্ডায় কার্যত কাঁপছিল বাংলা। গত কয়েক দিনে শীতের দাপট কিছুটা কমলেও এখনও ভোর ও রাতের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহে শীতের আমেজ আরও কমতে পারে। ভোরের দিকে কুয়াশার সঙ্গে ঠান্ডা অনুভূত হলেও বেলা বাড়তেই আবহাওয়ার চরিত্র বদলাচ্ছে। তবে বাতাস থাকলে শীতের ছোঁয়া এখনও টের পাওয়া যাচ্ছে। আবহবিদদের মতে, এই শীত বেশিদিন স্থায়ী হবে না। রবিবার থেকেই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচেই থাকবে।
শীতপ্রেমীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে হতাশার খবর। চলতি সপ্তাহেই কার্যত শীতের শেষ ইনিংস চলবে বলে ইঙ্গিত মিলছে। আগামী সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও হঠাৎ বড় পরিবর্তন হবে না। মাঘ মাসের সকালের দিকে উত্তর-পশ্চিম বায়ুর প্রভাবে এখনও হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।
দিনের তুলনায় রাত ও ভোরের দিকে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হবে। একই সঙ্গে কুয়াশার দাপটও বাড়বে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হাওয়া অফিসের মতে, শনিবার পর্যন্ত শহরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে থাকবে। রবিবার থেকে উত্তুরে হাওয়ার দাপট কমলে সোমবার থেকেই তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রভাবও কমতে শুরু করবে।
উত্তরবঙ্গেও কুয়াশার সতর্কতা জারি রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে, শীত বিদায়ের পথে থাকলেও কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডা আরও কয়েক দিন বাংলার আবহাওয়ায় প্রভাব রাখবে বলেই পূর্বাভাস।




















