বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর দুই কর্ভেটের শক্তির প্রদর্শন

বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর দুই কর্ভেটের শক্তির প্রদর্শন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



কলকাতা – বঙ্গোপসাগরে দেশের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা ভারতীয় নৌবাহিনীর দুই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রবাহী কর্ভেট আইএনএস খঞ্জর এবং আইএনএস কোরা এবার নোঙর করল কলকাতার খিদিরপুর ডকে। পূর্বাঞ্চলীয় ফ্লিটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই যুদ্ধজাহাজ দু’টি অতীতে বিভিন্ন সামরিক মিশনে অংশ নিয়ে নিজেদের সামর্থ্য, ক্ষমতা ও নির্ভুলতার জন্য বারবার প্রশংসা কুড়িয়েছে। দু’দিনের জন্য সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে এই দুই যুদ্ধজাহাজ, যাতে নাগরিকরা কাছ থেকে দেখতে পারেন দেশের সমুদ্র প্রতিরক্ষার প্রকৃত শক্তি।

গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সে তৈরি আইএনএস খঞ্জর ১৯৮৮ সালে নির্মিত হয় এবং ১৯৯১ সালে নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়। খুকরি-শ্রেণির গাইডেড মিসাইল কর্ভেট এই জাহাজে রয়েছে দূরপাল্লা, মাঝারি ও স্বল্পপাল্লার অত্যাধুনিক বন্দুক ব্যবস্থা। এমন বন্দুকও রয়েছে যা মিনিটে ৬০০০ রাউন্ড গুলি চালাতে সক্ষম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর অস্ত্রশস্ত্র, রাডার ও ন্যাভিগেশন সিস্টেম আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। এতে রয়েছে চারটি P-20M AShMs মিসাইল ব্লক, দুটি Strela-2M SAM বন্দুক, একটি AK-176 76 mm এবং দুটি 30 mm AK-630 বন্দুক। সমুদ্রসীমা রক্ষায় সহায়তার জন্য উন্নত অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ও অ্যান্টি-শিপ রাডার এবং হেলিপ্যাডও রয়েছে।

আইএনএস খঞ্জরের তুলনায় আরও উন্নত প্রযুক্তি ও সমরসজ্জায় সজ্জিত আইএনএস কোরা ১৯৯৮ সালে গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্সে তৈরি হয়। কোরা-শ্রেণির এই গাইডেড মিসাইল কর্ভেটে রয়েছে ১৬টি Kh-35 অ্যান্টি-শিপ মিসাইল, উন্নত রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট ও স্বয়ংক্রিয় আক্রমণ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা। এছাড়া রয়েছে দুটি Strela-2M SAM বন্দুক, একটি AK-176 76 mm এবং দুটি AK-630 বন্দুক, যার মাধ্যমে যে কোনও শত্রুপক্ষকে মুহূর্তে ধ্বংস করা যায়। উন্নত অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ও অ্যান্টি-শিপ রাডার সিস্টেম এবং হেলিপ্যাড এই জাহাজকে আরও শক্তিশালী করেছে।

দেশের সামুদ্রিক সীমা রক্ষায় এই দুই যুদ্ধজাহাজের ভূমিকা অপরিসীম, আর এবার কলকাতাবাসীর সামনে তারই এক ঝলক তুলে ধরল ভারতীয় নৌবাহিনী।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top