নিজস্ব সংবাদদাতা,উত্তর ২৪ পরগনা ,২১ শে আগস্ট :বাংলাদেশ থেকে এদেশে চিকিৎসা করতে আসা এক গৃহবধুকে কুপ্রস্তাব , পাসপোর্ট সোনার গয়না আটকে রাখার অভিযোগ । রাতেই অশোকনগর থানার দ্বারস্থ বাংলাদেশী পরিবার ।
জানা গিয়েছে বাংলাদেশ থেকে মাস তিনেকের ভিসা নিয়ে প্রায় দেড় মাস আগে স্বামী শিবানন্দ বাছার ও তাদের ছোট্ট মেয়ে এবং শ্বশুর শ্বাশুরিকে নিয়ে ভারতে এসেছিলেন পল্লবী মন্ডল নামে এই গৃহবধূ।
বাংলাদেশের খুলনা জেলার বোটেঘাটা থানার হেতালবনিয়া এলাকায় থাকেন। ভারতে তাদের পরিচিত আত্মীয় স্বজন রয়েছে তাদের হাত ধরেই অশোকনগর থানার গুমার স্বপন বিশ্বাসের সাথে তাদের পরিচয় হয়।

যার দরুন স্বপন বিশ্বাসের বাড়িতে একটি ঘর মাসিক পনেরোশো টাকার বিনিময়ে তারা ভারা নিয়ে থাকতে সুরু করেন ।
চিকিৎসা করাতে আরো টাকার প্রয়োজন হয়ে পড়ায় শিবানন্দ বাবু একা গত মাসের 18 তারিখ বাংলাদেশ যায় । স্ত্রী ,সন্তান এবং মা -বাবাকে রেখে গিয়েছিলেন এই ভাড়া বাড়িতে।
বাংলাদেশে থাকার সময় স্ত্রী পল্লবী মন্ডল সমস্ত ঘটনার কথা তাকে ফোন করে যানায়। শোনা মাত্রই তিনি ভারতে চলে আসেন।
পল্লবী মন্ডলের অভিযোগ বাড়িওয়ালা স্বপন বিশ্বাস স্বামী না থাকার সুযোগে তাকে কুপ্রস্তাব দেন এবং হেনস্থা করে।কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মোটা অংকের টাকা ধার নেওয়া হয়েছে এমন টা দেখিয়ে জোর করে একটি কাগজে গৃহবধূর কাছ থেকে জোরপূর্বক সই করিয়ে নেয় অভিযুক্ত । এবং চারজনের পাসপোর্ট এবং একটি সোনার চেন ও মোবাইল নিয়ে নেন স্বপন বিশ্বাস। গোটা ঘটনায় গৃহবধূ বাংলাদেশ যাওয়া তার স্বামীকে জানায় এরপর স্বামী এসে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ।গত শনিবার ঘটনা ঘটলেও মঙ্গলবার রাতে এলাকার কিছু মানুষের সহযোগিতায় অভিযুক্ত স্বপনের নামে অশোকনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বাংলাদেশ ওই পরিবারটি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে অশোকনগর থানা।



















