৪ জানুয়ারি, ক্রিকেটীয় কিছু সংলাপ আছে, যা সকল খেলোয়াড়দেরই জানা।সেগুলো বুঝতে বা রপ্ত করতে কোনও সমস্যা হয় না।সেটার ভাষা ইংরেজি হলেও তা বোধগম্য।তবে যদি ইংরেজি ভাষায় সমস্যা থেকে তাহলে তার পক্ষে হয়তো বাঁধাধরা কথা ছাড়া অন্যকিছু বুঝতে অসুবিধা হতে পারে।সাম্প্রতিক এমনই এক খবর উঠে এসেছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা ইংরেজি কম বোঝে।ইতিমধ্যে নানান সংবাদমাধ্যম এই খবর তুলে ধরেছে।
মনে করা হয়, এই অসুবিধার জন্যই ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলার কোর্টনি ওয়ালশ তিন বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করার পরও বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের কোনই উন্নতি হয়নি।বাংলাদেশে যাঁরা কোচিং করাতে এসেছেন বা আসেন তাঁদের বড় অংশের ইংরেজি উচ্ছারণ ‘বৃটিশ একসেন্ট’ ‘অস্ট্রেলিয়ান একসেন্ট’, ‘নিউজিল্যান্ড একসেন্ট’, ‘দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একসেন্টে’। কিছুদিন আগেই কোচ হার্শেল গিবস হঠাৎ রাগের বহিঃপ্রকাশ করে বলেন, দলের ক্রিকেটাররা বোঝেন না কোচের ভাষা। এমনকি ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলতেও সক্ষম নয় বলে কড়া অভিযোগ ছিল প্রোটিয়া কোচের।
তবে এই অভিযোগ মেনে নিলেন না তরুণ নাইম।তিনি মাঠে ব্যর্থতার দায় নিজেদের কাঁধে নিলেন কিন্তু অস্বীকার করলেন ভাষাগত সমস্যার ব্যাপারটি।তিনি বলেন, ‘মাঠে তো আমরাই খেলছি। আমাদেরই দোষ। দল হিসেবে খেলা হচ্ছে না’।তবে ইংরেজি না বোঝার অভিযোগটা ভিত্তিহীন বলেন তিনি, সাথে দেন জাতীয় দলের কোচদের উদাহরণও, ‘আমার মনে হয় না ভাষা বুঝতে সমস্যা। জাতীয় দলের কোচরাও ইংরেজিতে কথা বলে। বুঝে নেন বাকিটা।’



















