রাজ্য – বাংলায় সময়ের অভাবে ৭–৮ দফায় বিধানসভা নির্বাচন করা সম্ভব নয়—এ কথা স্পষ্ট করে জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, যেসব ভোটারের নথি সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য শেষ পর্যন্ত আপিলের সুযোগ থাকবে। একইসঙ্গে জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত কাজকর্মে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত শনিবার শিলিগুড়ি সফরে যাচ্ছেন এবং রবিবার তিনি কোচবিহার যাবেন। এদিকে রাজ্যে ERO স্তরে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই তুলনামূলকভাবে নিম্ন র্যাঙ্কের কর্মী, যা নিয়েও কমিশনের অন্দরমহলে আলোচনা চলছে।
কমিশন সূত্রের খবর, যেদিন শিপিং কর্পোরেশনের ভবনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর স্থানান্তরিত হবে, সেদিনই রাজ্যে আসতে পারেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই সফরকে ঘিরেও প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত ম্যাপিং ও আন-ম্যাপিং সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখবেন মাইক্রো অবজারভাররা। স্পেশাল রোল অবজারভারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সিইও দফতর থেকেই পুরো প্রক্রিয়া তদারক করা হবে।
এদিকে বারুইপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘটনায় ফের জেলাশাসকদের রিমাইন্ডার পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুইজন ERO, AERO এবং এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের কথা বলা হয়েছে। যদিও এই ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়ে এফআইআর না করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কমিশন তাদের অবস্থানে অনড় থেকে ডিএমদের পুনরায় নির্দেশ পাঠিয়েছে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের দ্বারা নিয়োগ করা চারজন নতুন স্পেশাল রোল অবজারভার ইতিমধ্যেই এসআইআর শুনানি সম্পন্ন হওয়া সমস্ত নথি পর্যবেক্ষণ শুরু করেছেন। সোমবার সকাল থেকেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে প্রত্যেক স্পেশাল রোল অবজারভারের অধীনে ১০ জন করে মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে আপলোড হওয়া সমস্ত নথি এই চারজন স্পেশাল রোল অবজারভার এবং মোট ৪০ জন মাইক্রো অবজারভারের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।



















