‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’-এ জাতীয় স্বীকৃতি, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে বাংলার বড় সাফল্য

‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’-এ জাতীয় স্বীকৃতি, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে বাংলার বড় সাফল্য

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আরও কার্যকর করে তুলতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেওয়া উদ্যোগই এবার জাতীয় স্তরে স্বীকৃতি পেল। বুধবার সমাজমাধ্যমে সেই সুখবর জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের আধুনিক পোর্টাল ‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’ গভর্ন্যান্স নাও-এর ষষ্ঠ ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট ও অ্যাওয়ার্ডস-এ পুরস্কৃত হয়েছে।
‘এক্সিলেন্স ইন ই-লার্নিং, অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম’ বিভাগে এই সম্মান পেয়েছে ‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঢেলে সাজানোর যে ভাবনা তিনি নিয়েছিলেন, এই জাতীয় স্বীকৃতি তারই প্রমাণ।
উল্লেখযোগ্যভাবে, মঙ্গলবারই রাজ্যের পরিবহণ দপ্তরের উদ্যোগ ‘অনুমোদন পোর্টাল’ জাতীয় স্তরের পুরস্কার পেয়েছিল। তার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের জাতীয় স্বীকৃতি এল বাংলার ঝুলিতে। প্রশাসনিক মহলের মতে, পরপর দু’টি জাতীয় সম্মান রাজ্যের ডিজিটাল গভর্ন্যান্স ও পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলার অগ্রগতিকে আরও একবার সামনে তুলে ধরল।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণের লক্ষ্যেই তৈরি হয়েছিল ‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’। এই পোর্টালটি বর্তমানে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিদ্যালয় সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যের একটি বিশাল ডিজিটাল ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছে। কোনও তথ্য জানতে আর ফাইল ঘাঁটতে হয় না, এক ক্লিকেই পাওয়া যাচ্ছে প্রয়োজনীয় তথ্য।
ই-লার্নিং, অনলাইন অ্যাসেসমেন্ট ও ডিজিটাল এডুকেশন প্ল্যাটফর্মকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই পোর্টালে। কোভিড অতিমারির সময় যখন স্কুল বন্ধ ছিল, তখন এই পোর্টাল ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমেই অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা চালু রেখেছিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর। পরবর্তী সময়ে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ব্যবস্থাকে উন্নত করা হয়েছে।
শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘বাংলার শিক্ষা ৩.০’-এর মাধ্যমে পড়ুয়াদের উপস্থিতি, মিড-ডে মিল সংক্রান্ত তথ্য, শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ও ঘাটতির মতো বিষয়গুলির উপর নজর রাখা যায়। পাশাপাশি পঠনপাঠনের গুণমান বাড়াতেও এই পোর্টাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। প্রশাসনিক কাজের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ যে দেশের মধ্যে একটি নজির তৈরি করেছে, জাতীয় স্তরের এই পুরস্কারই তার প্রমাণ।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top