বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই লোকসভায় উত্তেজনা, স্পিকারকে অপসারণের জল্পনায় বিজেপি–কংগ্রেসের হুইপ

বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই লোকসভায় উত্তেজনা, স্পিকারকে অপসারণের জল্পনায় বিজেপি–কংগ্রেসের হুইপ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে চলেছে আগামী সোমবার, ৯ মার্চ থেকে। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই লোকসভায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। কারণ, শুরুতেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আনা অপসারণ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের সাংসদদের পূর্ণ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিজেপি ও কংগ্রেস—দুই শিবিরই হুইপ জারি করেছে। ফলে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই সংসদে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাতের ইঙ্গিত মিলছে।
সূত্রের খবর, বিজেপি তাদের লোকসভা সাংসদদের জন্য ৯ ও ১০ মার্চ তিন লাইনের হুইপ জারি করেছে। দলীয় নির্দেশ অনুযায়ী ওই দুই দিন সাংসদদের সংসদে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসও তাদের সাংসদদের জন্য ৯ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত হুইপ জারি করেছে। ফলে স্পিকারকে কেন্দ্র করে অধিবেশন শুরুর প্রথম কয়েক দিনই লোকসভায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত মাসে বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব চলাকালীন কংগ্রেসের উদ্যোগে একাধিক বিরোধী দল একজোট হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে অপসারণের দাবিতে নোটিস জমা দিয়েছিল। সংসদের নিয়ম অনুযায়ী স্পিকারের বিরুদ্ধে অপসারণ প্রস্তাব আনতে নির্দিষ্ট সংখ্যক সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন হয়। বিরোধীদের জমা দেওয়া ওই নোটিসে প্রায় ১১৮ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে বলে জানা গেছে। নোটিসে অভিযোগ করা হয়েছে, সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার সময় স্পিকার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন এবং বিরোধী দলগুলিকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে অপসারণ প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিরোধীদের দাবি।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, স্পিকারের বিরুদ্ধে ওই নোটিসে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সাংসদের সই নেই। ফলে এই ইস্যুতে বিরোধী শিবিরের মধ্যেই একটি স্পষ্ট দূরত্ব চোখে পড়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। সব মিলিয়ে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতেই লোকসভায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল। এখন দেখার বিষয়, স্পিকারকে ঘিরে এই বিরোধ কতটা দূর গড়ায় এবং সংসদের কার্যক্রমে তার কী প্রভাব পড়ে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top