রাজ্য – ভোটের আগে বামফ্রন্টে আসন বণ্টন নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে জটিলতা বেড়েছে। আইএসএফকে কতটি আসন দেওয়া হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে আসন বণ্টন নিয়ে একদিকে শরিকদের মধ্যে ক্ষোভ, অন্যদিকে বামফ্রন্টের দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নওশাদ সিদ্দিকির দল নিজের পছন্দের আসনে প্রার্থী ঘোষণা করতে পারে। চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত কয়েকটি আসনে আইএসএফ প্রার্থী ঘোষণা করার বার্তা দিয়েছে।
সূত্রের খবর, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিম দুটি আসনেই আইএসএফ প্রার্থী দিচ্ছে। ভাঙড়েও নওশাদ সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন। এর ফলে আগামী সপ্তাহে আইএসএফ-এর প্রার্থী ঘোষণা সিপিএমকে চাপে ফেলে দিতে পারে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বামফ্রন্টের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে ক্ষুব্ধ ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি। কংগ্রেস জোটে না থাকার কারণে এবার শরিকরা কিছু বেশি আসন দাবি করছে। ফরওয়ার্ড ব্লক এখনও পর্যন্ত ৩০টি আসনের দাবি রেখেছে, যা কমবেশি ২৫টিতেও রাজি। সিপিএমের তরফে তাদের বলা হয়েছে, খুব বেশি হলে মাত্র ১৫টি আসন দেওয়া যেতে পারে। এতে ফরওয়ার্ড ব্লক ক্ষুব্ধ।
আরএসপি এবার কেন্দ্র বেছে ১৯টি আসনে লড়াই করবে। তবে সিপিএম ১৯টি আসন ছাড়তে নারাজ এবং কিছু আসন পরিবর্তন করতে চাচ্ছে। ফলে আরএসপির সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে জট অব্যাহত। ১৬ ফেব্রুয়ারি ফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। এদিকে সিপিআই ২০টি আসন চেয়েছে এবং সিপিএমের সঙ্গে এটি নিয়ে কোনও জটিলতা নেই। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “বামফ্রন্ট ধারাবাহিক। নির্বাচনের আগে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সব ঠিক হবে এবং নির্দিষ্ট সময়েই বর্ধিত ফ্রন্টের তালিকা প্রকাশ করা হবে।”




















