বিক্ষোভের দিন মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়নি, সুপ্রিম কোর্টে জানাল ডিএমআরসি

বিক্ষোভের দিন মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়নি, সুপ্রিম কোর্টে জানাল ডিএমআরসি

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



নয়াদিল্লি: বিক্ষোভের জেরে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ ও বেরোনোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়নি। ১০ অক্টোবরের পরিষেবা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া জবাবে এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)। কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই দিন নির্ধারিত সূচি মেনেই ট্রেন চলেছে। কোনও ট্রেন বাতিল করা হয়নি, কমানো হয়নি পরিষেবার সংখ্যাও।

ডিএমআরসি জানিয়েছে, ১০ অক্টোবর বিরোধী দল এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভের আগে নিরাপত্তার কারণে একাধিক স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ ও বেরোনোর পথ বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে দিল্লি মেট্রোর মোট ৩০৩টি স্টেশনের মধ্যে ৫৭টিতে এই বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়। তবে স্টেশনগুলিতে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা হলেও ট্রেন চলাচলের স্বাভাবিক সূচিতে কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

নির্ধারিত ৪,১৫৭টি ট্রেন ট্রিপই সম্পূর্ণ, দাবি মেট্রোর

সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া জবাবে ডিএমআরসি জানিয়েছে, ওই দিন সাধারণ শনিবারের সূচি অনুযায়ী ২৭১টি ট্রেন চালানো হয়। সব মিলিয়ে নির্ধারিত ৪ হাজার ১৫৭টি ট্রেন ট্রিপই সম্পূর্ণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, স্টেশনে প্রবেশ ও বেরোনোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকলেও মেট্রোর মূল পরিষেবা চালু ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থা।

ডিএমআরসির আরও দাবি, বিধিনিষেধ ছিল সীমিত এবং পরিস্থিতির তুলনায় যথাযথ। মেট্রো নেটওয়ার্কের প্রায় ৮৫ শতাংশ অংশ খোলা ছিল। যে স্টেশনগুলিতে যাত্রীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল, সেগুলি ছাড়া অন্য স্টেশনগুলিতে স্বাভাবিক পরিষেবা বজায় রাখা হয়।

বিক্ষোভের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের চলাচলে বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর ডিএমআরসির এই বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরিষেবা চালু থাকা এবং নির্দিষ্ট স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ বা বেরোনোর সুযোগ সীমিত থাকার বিষয়টি আলাদা—সেই পার্থক্যই নিজেদের জবাবে তুলে ধরেছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top