বিজেপির সভাকে ঘিরে উত্তাল বেহালা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে রণক্ষেত্র সখেরবাজার

বিজেপির সভাকে ঘিরে উত্তাল বেহালা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে রণক্ষেত্র সখেরবাজার

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – বিজেপির সভাকে কেন্দ্র করে রবিবার উত্তাল হয়ে উঠল বেহালার সখেরবাজার এলাকা। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে ওঠে যে এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। এই অশান্তির জেরে ডায়মন্ড হারবার রোডে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশবাহিনী ও র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়।
অভিযোগ, বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরের অফিসে ভাঙচুর চালায়। পাল্টা বিজেপির সভামঞ্চে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন তৃণমূলের দুই বিধায়ক দেবাশিস কুমার ও রত্না চট্টোপাধ্যায়।
রবিবার বেহালায় বিজেপির একটি সভা হওয়ার কথা ছিল, যেখানে কেন্দ্রীয় নেতা বিপ্লব দেবের উপস্থিত থাকার কথা। তবে সভা শুরুর আগেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। অভিযোগ, সভার প্রস্তুতি হিসেবে এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানো হচ্ছিল। সেই পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করেই প্রথমে বচসা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে গড়ায়।
স্থানীয়দের দাবি, সভামঞ্চের কাছেই ছিল তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লের অফিস। বিজেপির কর্মীরা সেখানে গিয়ে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরই গোটা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
বিজেপির অভিযোগ, দলীয় পতাকা লাগানো নিয়ে প্রথমে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এরপর সভামঞ্চে বিপ্লব দেবের বক্তব্যের পর বিজেপির মঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল কংগ্রেস জড়িত বলেই বিজেপির দাবি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকলের একটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের দীর্ঘ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
যদিও তৃণমূলের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ঝামেলার সূত্রপাত বিজেপিই করেছে। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বিজেপি এবং তারাই তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে। অপরদিকে বিধায়ক দেবাশিস কুমার বলেন, “বাংলায় গণতন্ত্র রয়েছে বলেই বিজেপি মঞ্চ বাঁধতে পেরেছে। এসআইআর নিয়ে যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, তা বাঙালি বুঝে গিয়েছে। সেই কারণেই সুপরিকল্পিতভাবে বিজেপি এই অশান্তি ঘটিয়েছে।”
ঘটনাকে ঘিরে এখনও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top