
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,২২শে জুলাই :বিজেপি কর্মীদের পথ আটকে মার, প্রতিবাদে কাঁকরতলা থানার সামনে বিজেপির পথ অবরোধ।
আজ বিজেপির তরফ থেকে জেলার ২৪ টি থানায় অবস্থান বিক্ষোভ এবং ডেপুটেশন জমা দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আগাম কর্মসূচি অনুসারে জেলার প্রতিটি থানার সামনে বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে এবং ডেপুটেশন জমা দিতে। তবে এই ডেপুটেশনের এবং বিক্ষোভ সমাবেশে আসার সময় বীরভূমের কাঁকর তলা থানা এলাকায় বেশ কিছু বিজেপি সমর্থক তৃণমূল দ্বারা আক্রান্ত হয় বলে অভিযোগ। তারপর বিজেপি কর্মীসমর্থকরা কাঁকরতলা থানার সামনে পথ অবরোধের নামে।
বিজেপির অভিযোগ, বেশকিছু বিজেপি কর্মী একটি ছোট হাতি গাড়ি করে রসা গ্রাম থেকে কাঁকরতলা থানায় আসার সময় রাস্তায় তাদের পথ আটকে গাড়ি ভাঙচুর এবং মারধর করে তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী। মারধরের ঘটনায় দুজন বিজেপি কর্মী সাবলু বাদ্যকর এবং গণেশ আহত অবস্থায় নাকরাকোন্দা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি হন। এরপরই বিজেপি কর্মীরা খয়রাশোল বাবুইজোড় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

বিজেপির এই পথ অবরোধ বেশ কয়েক ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে পরে খয়রাশোল থেকে বাবুইজোর যাওয়ার রাস্তা। পরে কাঁকরতলা থানার পুলিশের আশপাশে উঠে যায় অবরোধ।
কাঁকরতলা থানা এলাকায় বিজেপির সংযোজক অরিন্দম মুখার্জী জানান, “আমাদের একটি গাড়ি করে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা কাঁকরতলা থানা আসার সময় রসা গ্রামে তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী তাদের উপর আক্রমণ করে। তাদের মারধর করা হয়, গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। আমাদের দুজন কর্মী হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ যেন ওই তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় তার জন্যই আমাদের পথ অবরোধ।”
ঘটনার পর বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল জানান, “তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়ে এবং আমাদের কর্মীদের মারধর করে, সাথে গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। ওই গাড়িতে মোটামুটি যতজন ছিল তাদের সকলকে কমবেশি মারধর করা হয়েছে। আমাদের আজকের কর্মসূচির আগাম ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ নিষ্ক্রিয় থেকেছে। পুলিশকে অভিযোগ জানানোর সাথে সাথে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হল। তারমধ্যে পুলিশ যদি দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে আমরা নামবো।”



















