রাজ্য – বিধানসভা ভোটের আগে বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ভোটের আগে শেষ বাজেটে রাজ্য সরকার কল্পতরু হয়ে উঠতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মেয়েদের মন জয়ে লক্ষ্মীর ভান্ডার এবং সরকারি কর্মচারিদের ক্ষোভ প্রশমনে মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে বড়সড় ঘোষণা হতে পারে। বাজেট পেশের আগেই সরকারি কর্মচারিরা নতুন আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপিপন্থী কর্মচারিরা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে দাবি তুলেছেন। কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে মামলাটি দেশের শীর্ষ আদালতে পৌঁছেছে। যদিও ডিএ মামলার রায়দান স্থগিত রয়েছে। তবুও রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের জন্য গত কয়েক বছর ধরে বাজেটে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করে আসছেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ২০২৩ সালে ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের বাজেটে চার শতাংশ করে ডিএ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল, যা কর্মচারিদের মধ্যে ক্ষোভের খানিকটা প্রশমন ঘটিয়েছে।
সামনের ভোটের প্রেক্ষিতে সপ্তদশ বিধানসভার শেষ বাজেটে সরকারি কর্মচারিদের জন্য ৮ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করে বড় চমক দিতে পারে মমতা সরকার। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়ের মতে, সপ্তম বেতন কমিশন চালুর পরে রাজ্যের সরকারি কর্মচারিরা ১৮ শতাংশ ডিএ পাচ্ছেন। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারিরা পাচ্ছেন ৫৮ শতাংশ। কেন্দ্র ও রাজ্যের কর্মচারিদের ডিএ ফারাক ৪০ শতাংশ। শেষ বাজেটে সেই ফারাক কমাতে ৮ শতাংশ ডিএ’র ঘোষণা হতে পারে।




















