বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠন মজবুত করতেই বঙ্গ সফরে অমিত শাহ, আজ ব্যারাকপুর ও শিলিগুড়িতে কর্মী সম্মেলন

বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠন মজবুত করতেই বঙ্গ সফরে অমিত শাহ, আজ ব্যারাকপুর ও শিলিগুড়িতে কর্মী সম্মেলন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের পর ফের পশ্চিমবঙ্গে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার রাতে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ও দলের কর্মীরা। সেখান থেকে তিনি সরাসরি নিউটাউনের একটি হোটেলে যান এবং রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রকাশ্যে কোনও কর্মসূচি না থাকলেও এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
অমিত শাহের সফর ঘিরে প্রশাসনও তৎপর হয়ে উঠেছে। ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠ ইতিমধ্যেই পরিদর্শন করেছেন পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সভাস্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়েছে। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের ধারণা, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক বা মার্চের শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। তার আগেই সংগঠনকে আরও মজবুত করা, দুর্বল এলাকাগুলি চিহ্নিত করা এবং রাজ্য থেকে মণ্ডল স্তর পর্যন্ত নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় ফেরানোই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
শনিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর সফরের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন অমিত শাহ। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে তিনি আনন্দপুরী মাঠে পৌঁছবেন। সেখানে ব্যারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট ও বারাসত—এই চারটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীদের নিয়ে একটি বড় কর্মী সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি।
ব্যারাকপুরের সভা শেষে অমিত শাহ কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা দেবেন। বিকেলে শিলিগুড়ির এয়ারফোর্স ময়দানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মী সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি। এই সভায় শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার—এই পাঁচটি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। দিনের সমস্ত কর্মসূচি শেষ করে বিকেল সাড়ে ৪টেয় বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই সফরে দলের রণকৌশল চূড়ান্ত করা হবে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই সময় রাজ্যজুড়ে সভা-মিছিল ও মাইক ব্যবহারে কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর থাকে। ফলে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই কারণেই জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্য সফর সেরে নেওয়াকে বিজেপির অন্দরমহলে একটি ‘কৌশলগত সিদ্ধান্ত’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top