খেলা – ২০১/৩ রানের চ্যালেঞ্জ তাড়া করে ৬ উইকেটে দাপুটে জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ২০৩/৪ তুলে সহজেই ম্যাচ জিতে নিল তারা, যেখানে ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন বিরাট কোহলি এবং দেবদত্ত পড়িক্কল। অন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ-এর বড় স্কোরও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেল না।
টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বেঙ্গালুরু। শুরুতেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ, দ্রুত আউট হয়ে যান ট্র্যাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা। মাত্র ২৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। সেখান থেকে ইনিংস সামলান অধিনায়ক ঈশান কিষাণ এবং হেনরিক ক্লাসেন। তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে ম্যাচে ফেরে দল। ক্লাসেন ৩১ রান করে ফিরলেও একপ্রান্তে ঝড় তোলেন ঈশান।
দুরন্ত ছন্দে ব্যাট করতে থাকা ঈশান কিষাণ ৩৮ বলে ৮০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৮টি চার ও ৫টি ছক্কা। শেষের দিকে অনিকেত বর্মার ঝোড়ো ৪৩ রানে ভর করে ২০০ পেরোয় হায়দরাবাদ। বেঙ্গালুরুর হয়ে জ্যাকব ডাফি ৩টি এবং রোমারিও শেফার্ড ৩টি উইকেট নেন।
২০৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ফিল সল্টের উইকেট হারালেও এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আরসিবি। বিরাট কোহলি ও দেবদত্ত পড়িক্কলের ১০১ রানের জুটি ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়। পড়িক্কল মাত্র ২৬ বলে ৬১ রানের ঝড় তোলেন, যা হায়দরাবাদের বোলিংকে কার্যত ছিন্নভিন্ন করে দেয়।
এরপর অধিনায়ক রজত পাতিদারের ১২ বলে ৩১ রানের ঝোড়ো ইনিংস জয়ের পথ আরও সহজ করে দেয়। যদিও পরপর দু’টি উইকেট পড়ে, তবুও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আর হারায়নি বেঙ্গালুরু। শেষ পর্যন্ত বিরাট কোহলি অপরাজিত ৬৯ রান করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।
পুরো ইনিংস জুড়ে বিরাটের ব্যাটিংয়ে ছিল অভিজ্ঞতা ও আগ্রাসনের নিখুঁত মিশেল। প্রয়োজন মতো ধীরে খেলা এবং সময়মতো আক্রমণ—এই ব্যালান্সই ম্যাচের ফারাক গড়ে দেয়। ২৬ বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে আরসিবি বুঝিয়ে দিল, এবার তারা নতুন উদ্যমে শিরোপার লড়াইয়ে নামতে প্রস্তুত।



















