বিহার – বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পরে বৃহস্পতিবার রাতে ৭, লোককল্যাণ মার্গে এনডিএ-র সাংসদদের জন্য বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদ ভবন থেকে বাসে করেই প্রধানমন্ত্রী-বাসভবনে পৌঁছন সাংসদরা। বিহারে জয়ের উচ্ছ্বাসে জমায়েত হলেও কেন্দ্রীয় আকর্ষণ ছিল দেশজ স্বাদের বাহারি নিরামিষ মেনু—যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে উত্তেজনা তুঙ্গে।
সম্প্রতি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য পরিবেশিত নিরামিষ মেনু যেমন দৃষ্টি কেড়েছিল, তেমনই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এনডিএ ডিনারের থালিও।
বিহারের ফল ঘোষণার পর মিলনমেলা
২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় এনডিএ একাই পেয়েছে ২০২টি আসন। এই জয়ের পরে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘এনডিএ পরিবার মানেই উন্নয়ন, সুশাসন এবং আঞ্চলিক আকাঙ্ক্ষার মিলিত শক্তি। আগামী দিনেও আমরা একসঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
নৈশভোজের মেনুই এখন সবার কৌতূহলের কেন্দ্র
সম্পূর্ণ নিরামিষ এই ডিনারের প্লেটে ছিল দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বহুরূপী স্বাদ। বিশেষ করে ‘পালাকুরা পাপ্পু’ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়—যা দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় পল্লী স্বাদের ডাল-শাকের সংমিশ্রণ।
সঙ্গে ছিল আরও একাধিক আঞ্চলিক নিরামিষ পদ, যা সাংসদদের আপ্যায়নে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: দেশ এখন ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’ পর্যায়ে
বৈঠকে মোদীর বার্তা ছিল আরও স্পষ্ট—
‘সংস্কার মানে শুধু রাজস্ব বা অর্থনীতি নয়। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা কমানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। যাতে প্রতিটি মানুষ নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারেন।’
বিহার বিজয়ের পর রাজনৈতিক বার্তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই নজর কেড়েছে নিরামিষ পদের দেশজ বহর। এনডিএ শিবিরে তাই এই নৈশভোজকে কেবল ‘ভোজ’ নয়, বরং রাজনৈতিক ঐক্যের এক বড় বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।




















