
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,৩ রা জুলাই :গত রবিবার বিজেপি রাজ্য দপ্তর থেকে বীরভূমের নতুন জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় শ্যামা প্রসাদ মন্ডলকে। এতদিন পর্যন্ত বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন রামকৃষ্ণ রায়। কিন্তু তার সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ায় বেছে নেওয়া হলো নুতন মুখ বলে বিজেপি সূত্রে খবর। আর তারপর আজ শ্যামা প্রসাদ মন্ডল জেলা সভাপতির দায়িত্ব হিসেবে নিজের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। দায়িত্বভার গ্রহণের আগে শ্যামা প্রসাদ মন্ডল সাঁইথিয়ার নন্দিকেশ্বরী তলায় পুজো দিয়ে বুঝে নিলেন নিজের দায়িত্ব।
এই দায়িত্বভার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির জেলা সম্পাদক কালোসোনা মন্ডল, পূর্বতন সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় সহ জেলার বিজেপি নেতা কর্মীরা। অন্যদিকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য স্তরের নেতা রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু।
মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় সায়ন্তন বসুকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, বীরভূমে বারবার সংঘর্ষ লেগে রয়েছে, কাটমানি তৃণমূল নেতারা বারবার মার খাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে আপনি কি বলবেন?
সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে সায়ন্তন বসু জানান, “কাটমানি যখন খেয়েছিল তখন বোঝা উচিত ছিল। কাটমানি ছেলে মার তো খেতেই হবে, এটাই স্বাভাবিক। যত পয়সা খেয়েছে, জনগণ সব উসুল করবে।”
সাংবাদিকরা আরো প্রশ্ন করেন, বিজেপির ইন্ধনেই নাকি এই সমস্ত ঝামেলা হচ্ছে?
সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমরা জনগণের পাশে আছি। জনগণের এই আন্দোলনে আমরা শুধু সাথ দেবো না, নেতৃত্বও দেবো।”
সদ্য জেলা সভাপতি হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত শ্যামা প্রসাদ মন্ডল নন্দিকেশ্বরী তলায় পূজো দিয়ে বলেন, “মায়ের কাছে আমি আশীর্বাদ চাইলাম, যেন বীরভূমবাসীদেরকে আমি শান্তি পেতে পারি। আর এই বীরভূমবাসীদেরকে শান্তি দেওয়ার জন্য যা যা করণীয় থাকবে আমি করবো।”
এছাড়াও আজ শ্যামা প্রসাদ মন্ডল অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “অনুব্রত মণ্ডল আমার কাছে কোন ফ্যাক্টর নয়। উনিও একজন মানুষ, আমিও একজন মানুষ। উনি একটা দল চালান, আমিও একটা দল চালাই। মাঠে দেখা যাবে।”
অনুব্রত মণ্ডলের পাঁচন, শলাকা ইত্যাদি দাওয়াই প্রসঙ্গে শ্যামা প্রসাদ মন্ডল জানান, “সঠিক সময় সঠিক জায়গায় এর সমস্ত জবাব দেওয়া হবে।”



















