৭ জানুয়ারি, গত প্রায় ৪ মাস ধরে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার বনসম্পদ।আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তা শহরের দিকে এগোতে শুরু করে। ফলে বেশ কয়েকজন মানুষের মৃত্যুর খবরও মিলেছে। কয়েক হাজার মানুষ এখনও গৃহহীন। সূত্রের খবর অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ১৫০০ মানুষ গৃহহীন। জানা গেছে, ৫০০-র বেশি বন্যপ্রাণী মারা গিয়েছে। প্রায় ৫০ লক্ষ হেক্টর জমি পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে সেখানে। দাবানলের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সকলেই জানত আগুনের গ্রাসে অস্ট্রেলিয়ার গোটা বন্যপ্রাণের অস্তিত্ব মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এটি বাস্তুতন্ত্রের উপর বিশাল প্রভাব ফেলেছে।
সম্প্রতি ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিসের কর্মী প্রবীণ কাসওয়ান তাঁর টুইটার হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি হেলিকপ্টার থেকে রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি বিশাল অংশ জুড়ে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। আগুনের লেলিহান শিখা আর ধোঁয়ায় চারধার ঢেকে যাচ্ছে।ভয়াবহতম দাবানলের শিকার হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্যপ্রাণী।যা দেখে সকল মানুষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাথে বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষার প্রার্থনাও করেন।
টানা কয়েক মাস ধরে অস্ট্রেলিয়ার বনসম্পদকে ছাড়খার করে দেওয়া ভয়ঙ্কর দাবানলের আঁচ থেকে এবার হয়তো কিছুটা সাময়িক স্বস্তি মিলল। আজ অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল বরাবর সিডনি থেকে মেলবোর্ন পর্যন্ত এলাকায় ভালই বৃষ্টি হয়েছে। তার জেরে দাবদাহ থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলেছে। যদিও সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ভিক্টোরিয়া প্রদেশের অবস্থা এখনও শোচনীয়। জানা গিয়েছে, দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত বন্যপ্রাণীদের চিকিৎসায় হাত বাড়িয়েছেন প্রয়াত পশুপ্রেমী স্টিভ আরউইনের মেয়ে বিন্দি। তিনি কুইনসল্যান্ডের ‘অস্ট্রেলিয়া চিড়িয়াখানা’র দেখভাল করেন। ইনস্টাগ্রামে বছর একুশের বিন্দি জানান, তাঁদের চিড়িয়াখানার কোনও পশু দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও দেশের নানা প্রান্তে আহত ৯০ হাজার পশু-পাখির চিকিৎসার বন্দোবস্ত করছেন তাঁরা।


















