
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম,২০ শে জুলাই : বেআইনি বাসের ছাদের সিঁড়ি খুলতে তৎপর বীরভূম প্রশাসন।
বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন বেআইনি, শুধু বেআইনি বললে ভুল হবে বাসের ছাদে চেপে যাত্রার ফলে বহু যাত্রীকেই দেখা গিয়েছে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে। বিশেষ করে বীরভূমে, বাসের ছাদে চেপে যাত্রার সময় বাস থেকে পড়ে অথবা কোন কিছুর সাথে ধাক্কা লেগে বহু যাত্রীকে দেখা গিয়েছে মৃত্যুর পথযাত্রী হতে। বাস মালিক এবং বাসের কর্মচারীরাও দু পয়সা বেশি রোজগারের তাগিদে প্রায়শই এসব আইনকে বুড়ো আঙুল দেখায়। তবে এই সব বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন রুখতে বীরভূম প্রশাসনের তরফ থেকে বহু আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু মানুষের সচেতনতার অভাবে ফলপ্রসূ হয়নি তেমনটা। তাই প্রশাসনের তরফ থেকে কড়া হাতে দমন। বীরভূমের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রীবাহী বাসগুলিকে দাঁড় করিয়ে গ্যাস কাটারের মাধ্যমে কেটে খুলে ফেলে দেওয়া হচ্ছে বাসের ছাদের সিঁড়ি।
শুক্রবার থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ এবং মোটর ভেহিকেলের যৌথ উদ্যোগে বীরভূমের বিভিন্ন এলাকায় এই বাসের ছাদের সিঁড়ি খোলার অভিযান চালানো হচ্ছে। গতকাল দেখা গিয়েছিল রামপুরহাট, মল্লারপুর ইত্যাদি বিভিন্ন এলাকায় এমন অভিযান আর আজ সকাল থেকেই দেখা গেল দুবরাজপুর এবং অন্যান্য এলাকায় জেলা প্রশাসনকে এই অভিযান চালাতে। আজ সকাল থেকে দুবরাজপুরের পাওয়ার হাউস মোড়ে ডিএসপি হেডকোয়ার্টার কাশীনাথ মিস্ত্রি এবং দুবরাজপুর থানার ওসি শেখ মহঃ আলীর উদ্যোগে চালানো হয় এমন অভিযান।
কিন্তু জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই ভাবে বাসের ছাদের সিঁড়ি খুলে দেওয়াকে কেমন ভাবে নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে গাড়ি চালকরা?
সাধারণ মানুষ থেকে বাসের যাত্রীরা পুলিশের এমন উদ্যোগে খুবই খুশি। এমনকি গাড়ির চালকরাও প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। চালকদের বক্তব্য, এতে আমরা যারা গাড়ি চালায়, তাদের জন্য খুবই ভালো। কারণ আমরা নিশ্চিন্তে যাত্রীদের সুরক্ষিতভাবে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারবো।
আর বার বার সচেতনতা প্রচার চালানো সত্ত্বেও, প্রশাসনের তরফে বাসের ছাদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত বন্ধ করার পরামর্শ দিলেও মানুষ সচেতন ভাবে কতটা তা গ্রহণ করেছিল, তাই ছিলো সন্দেহ। আর তারপরেই জেলা প্রশাসনের বাসের ছাদ থেকে সিঁড়ি খুলে দেওয়ার উদ্যোগ ঠিক যেন, “বাবাজি না রাহেগা বাঁশ, না বাজেগা বাসুরি


















