ভারতকে নতুন করে পর্যালোচনা করতে চলছে যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও বাণিজ্য সম্পর্কের খতিয়ান

ভারতকে নতুন করে পর্যালোচনা করতে চলছে যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও বাণিজ্য সম্পর্কের খতিয়ান

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


বিদেশ -শুল্কযুদ্ধ এবং বাণিজ্য চুক্তি ঘিরে গত কয়েক মাসে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক ব্যাপক চড়াই-উতরাইয়ের মুখোমুখি হয়েছে। এরপর চিনকে রুখতে নয়াদিল্লিকে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষ কমিশন গঠন করা হয়েছে। আগামী মাসে সেই কমিশনের শুনানি শুরু হওয়ার কথা।
যুযুধান প্রতিপক্ষ চিনকে মাথায় রেখে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইউনাইটেড স্টেটস-চিন ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশন। মূলত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, জাতীয় সুরক্ষা, চিনের সঙ্গে বাণিজ্যের ঝুঁকি এবং বেজিংয়ের পদক্ষেপের বিশ্লেষণই ছিল কমিশনের কাজ। এবার কমিশন চিনের পাশাপাশি ভারতের পদক্ষেপও খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করবে। নয়াদিল্লি-বেজিং সম্পর্ক এবং ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের বিষয়গুলোও চুলচেরা বিশ্লেষণে থাকবে।
সূত্রের খবর, ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কমিশন শুনানি শুরু করবে। সাম্প্রতিক সময়ের ভারত-চিন সম্পর্কের উন্নতি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে ভারতীয় আত্মনির্ভরতার প্রচেষ্টা—এসব বিষয় কমিশনের আলোচ্য হবে। তবে ওয়াশিংটনের মূল প্রশ্ন হলো, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে রোখার জন্য ভারতকে কতটা বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে দেখা যায়।
গত কয়েক মাসে ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পেন্ডুলামের মতো ওঠানামা করেছে। বাণিজ্য চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হলেও স্বাক্ষর হয়নি। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপায়, যা ভারতের বাজারে ধাক্কা দিয়েছে। অন্যদিকে, গালওয়ান সংঘর্ষের ক্ষত ভুলে নরেন্দ্র মোদি সরকার চিনের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়েছে। উভয় দেশের মধ্যে উড়ান পরিষেবা পুনরায় চালু হয়েছে, এবং চিনা সংস্থাগুলিকে ভারতে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমানে আমেরিকা কার্যত ভারতের দিক থেকে পাত্তা পাচ্ছে না, সেই কারণেই নয়াদিল্লির ভূমিকা খুঁটিয়ে দেখছে ওয়াশিংটন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top