
২৩ এপ্রিল, করোনার প্রকোপে গোটা দেশ জর্জরিত।আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৬০০০ -এ গিয়ে ঠেকেছে, মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫৪৩ জনের।করোনা সংক্রমণ রুখতে গোটা দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।তবে অন্যান্য আরও দেশের থেকে ভারতবর্ষের অবস্থা হয়তো ততটা শোচনীয় নয়।ইউরোপ, আমেরিকায় যে ভাবে ত্রাশ তৈরি করেছে এই ভাইরাস, তেমনটা ভারতে এখনও লক্ষ্য করা যায়নি, বলে মনে করা যায়।

দেশের, বিদেশের বহু গবেষক করোনা নিয়ে নানান পরীক্ষা চালাচ্ছেন।তাঁদের অনেকের মতে, পৃথিবীর সব প্রান্তে এই করোনা ভাইরাস সমান বিপজ্জনক নয়। এই ভাইরাসের ক্ষমতা কোথাও বেশি, কোথাও কম।ভারত-সহ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় যে বিশেষ ধরনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে তা ইউরোপ, আমেরিকার মতো ততটা আগ্রাসী নয়, এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন সংস্থা ‘ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস’-এর বিজ্ঞানীরা।

বিশ্বের যেসকল দেশে এই করোনা সংক্রমণ ঘটেছে, এই ভাইরাসের মরণ ক্ষমতা বিশ্বের সমস্ত দেশে সমান নয়।অর্থাৎ কোথাও এর মরণ ক্ষমতা বেশি আবার কোথাও কম।যেমন, ভারত-সহ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় যে প্রকারের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে এর মারণ ক্ষমতা তা ইউরোপ, আমেরিকায় ছড়ানো COVID-19-এর তুলনায় অনেক কম।ভাইরাসের মারণ ক্ষমতা, আগ্রাসন অনুযায়ী বিজ্ঞানীরা COVID-19-কে তিন ভাগে (A, B এবং C) ভাগ করেছেন। বিজ্ঞানীদের দাবি, A এবং C-এর তুলনায় B টাইপের COVID-19 অনেকটাই দুর্বল। আর এই B টাইপের COVID-19 সংক্রমিত হয়েছে ভারত-সহ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে।

তবে তাতে ভারতীয়দের নিশ্চিন্ত হওয়ার কিছু নেই।কারণ ভারতের জনসংখ্যা অনেক বেশি আর তাই বাড়তি সতর্কতা না নিলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মাত্রা আরও বাড়তে পারে এবং তা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।



















