
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, ১৮ এপ্রিল, ভিন রাজ্য থেকে ৪ বাংলাদেশী চুপিসারে বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হল না বারাসাতে পাইনিওর পার্কে। শুক্রবার বিকেল চারটে নাগাদ তামিলনাড়ুর নাম্বার প্লেট লাগানো একটি অ্যাম্বুলেন্সে চার ব্যক্তি বারাসাতের পাইনিওর পার্কে রুপসা ভবনে ৩ তলার ফ্ল্যাটে এসে ওঠে। ২ মাস আগে এরা চিকিৎসার জন্য ভারতে আসে এবং চেন্নাইতে যান। চিকিৎসার শেষে সেখান থেকেই গত ১৩ এপ্রিল তারা রওনা দেয় অ্যাম্বুলেন্সে করে বারাসাতের উদ্দেশ্যে। তাদের লক্ষ্য ছিল বারাসাত হয়ে তারা পেট্রাপোল বর্ডার দিয়ে বেনাপোল পৌঁছে বাংলাদেশে ঢুকবে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসায় খবর যায় বারাসাত পৌরসভা পুরপ্রধান সুনীল মুখোপাধ্যায় কাছে।
এরপর তিনি সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি বারাসাত থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে জানান। মুহুর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ এবং এম্বুলেন্স এই ৪ বাংলাদেশী যেহেতু অন্য রাজ্য থেকে এসেছেন তাই তাদের প্রথমে বারাসাত হাসপাতালে পরে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহের পর তাদের বারাসাতেই অ্যাডামাস মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ভেতরে অস্থায়ী যে কোয়ারেন্টিন তৈরি করা হয়েছে সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়। স্বভাবতই এই ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার মানুষ। তাদের দাবি, সতর্কতামূলক ভাবেই এই চারজনকে রাখা হোক সেখানে ১৪ দিন অতিবাহিত করার পরে তাদেরকে ছাড়া হোক। স্থানীয় কাউন্সিলর জানান, চেন্নাই থেকে কলকাতা এই দীর্ঘপথে তারা কোথায় ওঠানামা করেছেন কার কার সংস্পর্শে এসেছেন সেটা সকলের অজানা। তাই তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, এর দরুন তাদের বিশেষ চিকিৎসাধীনে রাখা হয়েছে।


















