দিল্লি – ভোটাধিকার রক্ষার প্রশ্নে বড় স্বস্তি মিলল বাংলার জন্য। দেশের শীর্ষ আদালত Supreme Court of India স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা পড়া বৈধ নথিপত্র অগ্রাহ্য করা যাবে না। এই পর্যবেক্ষণ কার্যত সিলমোহর দিল মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক Abhishek Banerjee-র দীর্ঘদিনের দাবির উপর।
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, সার্টিফিকেট ও আধার কার্ডের মতো সরকার স্বীকৃত নথি গ্রহণে জটিলতা তৈরি হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার বলা হয়, এতে বহু সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার খর্ব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি আদালতে গড়ালে শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়—১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে জমা পড়া বৈধ নথিগুলিকে আইন অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে এবং কোনও যোগ্য নাগরিককে অযথা বঞ্চিত করা যাবে না।
আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট করা হয়েছে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতায় সাধারণ ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া উচিত নয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক নথি জমা পড়লে তা খতিয়ে দেখে আইনসম্মতভাবে গ্রহণ করাই কর্তব্য।
অন্যদিকে বিরোধী মহলেরও মন্তব্য, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় রাখাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। তাঁদের মতে, বৈধ নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কঠোরতা যেমন প্রয়োজন, তেমনই যোগ্য ভোটারদের অধিকার রক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ ভোটার পরিচয় সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল। এখন নজর প্রশাসনিক স্তরে এই নির্দেশ কত দ্রুত এবং কীভাবে কার্যকর করা হয়, সেদিকেই।



















