ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ও ‘আনম্যাপড’ ভোটারের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ

ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ও ‘আনম্যাপড’ ভোটারের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য -;ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া (SIR, 2026) ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে চলতি ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ও ‘আনম্যাপড’ ভোটারদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে এই দুই শ্রেণির ভোটারের নাম প্রকাশ্যে টাঙানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে পাঠানো চিঠিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস, তালুক স্তরের দফতর এবং শহরের ওয়ার্ড অফিস-সহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জনসমক্ষে এই তালিকা টাঙাতে হবে। উদ্দেশ্য একটাই—যাতে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা সহজেই জানতে পারেন তাঁদের নাম কোনও সমস্যাযুক্ত তালিকায় রয়েছে কি না।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র এলাকার কাছাকাছি কোনও পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস বা ওয়ার্ড অফিস নির্দিষ্ট করে দিতে হবে, যেখানে নথি জমা ও শুনানি সম্পন্ন হবে। তালিকা প্রকাশের পর দাবি বা আপত্তি জানানোর জন্য অতিরিক্ত ১০ দিন সময় দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, শুধু নথি জমা দিলেই চলবে না, প্রতিটি ক্ষেত্রে ERO বা AERO-এর মাধ্যমে শুনানি বাধ্যতামূলক। এই শুনানি সরাসরি অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হতে পারে। নথি গ্রহণ ও শুনানির সার্টিফিকেট দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে, যা পরবর্তী সময়ে বিএলও অ্যাপে আপলোড করা হবে।
চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও গ্রহণযোগ্য, যদি তাতে ভোটারের জন্মতারিখ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।
সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, আইনি সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশ বলে মনে করছে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহল। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজরদারির মধ্যেই এখন দেখার, বাংলায় ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ ইস্যু কোন পথে এগোয়।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top