দিল্লি – বিকেল চারটোর দিকে দিল্লির নির্বাচন সদনে ঢুকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এসআইআর-এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। মমতা পরিবারগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগের ঝুলি খুলতে শুরু করেন।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৈঠক শুরু হওয়ার পরই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “এই অভিযোগের কোনও লজিক আছে কি? কেন কথা শুনতে হবে?” এতে তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করেন মমতা। তিনি পাল্টা জানান, “কথাই যদি শোনা না হয়, তাহলে এখানে থাকার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।” এরপরই তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তুলে বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে আসেন।
মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “এরকম মিথ্যাবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহুদিন রাজনীতি করেছি, এরকম ঔদ্ধত্য আগে দেখিনি। কমিশন বিজেপির আঙুলহেলনে কাজ করছে।” তিনি অভিযোগ করেন, বৈঠকে এমন একজনকেও উপস্থিত করা হয়েছিল যিনি কমিশনের কোনও আধিকারিক নন। মমতার প্রশ্ন, “সীমা খন্না কে? উনি নির্বাচন কমিশনের কেউ নন, বিজেপির আইটি সেলের লোক।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ এত বড় সংখ্যার বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনও প্রশ্নই তোলা হয়নি। এই নীরবতা নিয়েই তাঁর আপত্তি।
এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তিনি জানান, বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যান উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু বাইরের ক্যামেরাম্যানদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছা তাই করবেন তা তো হয় না। বহুদিন রাজনীতি করেছি, মন্ত্রীও ছিলাম। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি।”




















