মহিলা সিভিক ভলেন্টিয়ারকে ধর্ষণের অভিযোগ ট্রাফিক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে

মহিলা সিভিক ভলেন্টিয়ারকে ধর্ষণের অভিযোগ ট্রাফিক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা,২২ শে জুন : কলকাতা শহরে ট্রাফিক কনস্টেবল এর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করলো কলকাতা পুলিশ এরই এক মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ার । অভিযোগ টালিগঞ্জ swd ট্রাফিক কনস্টেবল অশোক কুমার মার্জিত র সাথে কর্ম সূত্র পরিচয় হয় এই অভিযোগকারিনী মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ার এর । মহিলা কে কনস্টেবল কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিসূতি দিয়ে অভিযোগ কনস্টেবল তার ইচ্ছের বিরুধ্যে ওই মহিলাকে বেষকয়েক বার মদ্যপ অবস্থায় ধর্ষণ করে। এবং প্রায়ই বলে মহিলা কে বিয়ে করবে। এই মহিলা যখন ওই অভিযুক্ত কনস্টেবল কে বিয়ের জন্য জোর করতে থাকে , তখন ওই অভিযুক্ত, কনষ্টেবল মহিলা কে বলে আমি বিবাহিত ,তোমকে আমার বিয়ে করা সম্ভব নয়। আমার দুট বাচ্চা আছে। আমাদের সম্পর্ক যেরকম আছে সেরকম ই থাক, তোমার কোনোদিন কোনো অসুবিধে হবে না । তারপর ওই মহিলা স্থানীয় সারসুনা থানায় অশোক এর বিরুধ্যে ধর্ষণের অভিযোগ করতে যায় তখন থানা থেকে বার বার ঘোরানো হয় ,বলা হয় যেহেতু ডিপার্টমেন্ট এর ব্যাপার আমরা অভিযোগ নিতে পারবো না ।আপনি মহিলা থানায় গিয়ে অভিযোগ করুন। তারপর ওই মহিলা বেহালা মহিলা থানায় গিয়ে অভিযোগ করতে আসে, কিন্তু সেখানে অভিযোগ না নিয়ে বেশ কয়েকবার হয়রানি করা হয়।।বেশ কয়েক দিন পর উকিলের চাপে পড়ে বেহালা মহিলা থানায় এফ এই আর লিপিবদ্ধ হয়। সেই সময় এই কেস এর যে মহিলা আই ও ছিলেন তিনি অভিযোগ করিনি কে বলেন এটা কলকাতা পুলিশ এর অভ্যন্তরীণ ঘটনা ,পুলিশ এর বদনাম হবে অভিযুক্ত অশোক এর কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে নাও।
376 ধারা তে অভিযোগ করা সত্বেও পুলিশ অভিযুক্ত কে এরেস্ট করেনি। তারপর অভিযোগ করিনির উকিল ফের অভিযোগ জানায় কলকাতা পুলিশ এর জয়েন্ট সি পি ক্রাইম ও ডি সি সাউথ ওয়েস্ট এর কাছে। তাতে পুলিশ র তরফে মহিলা কে জানানো হয় অভিযুক্ত কোস্টবেল পলাতক। ওপর মহলে এই সব অভিযোগ করার জন্য কলকতা পুলিশ থেকে তাকে তার বাড়ি থেকে অনেক দূরে পোস্টিং করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ওই ধর্ষিতা মহিলা সংবাদ মাধ্যম কাছে দ্বারস্থ হযেছে অভিযুক্ত অশোকের শাস্তির দাবিতে পাশাপাশি মহিলা বলেন তার মতো আর কোনো মহিলা কে অশোকের যেন না শিকার হতে হয়।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top