মহিষাদলে পুলিশ ও দলের দ্বন্দ্ব মিটাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারীর

মহিষাদলে পুলিশ ও দলের দ্বন্দ্ব মিটাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারীর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – ভবানীপুরে প্রচারের সময় থানায় গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বচসার পর এবার মহিষাদলে থানায় গিয়ে এএসআইকে ধমক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ উঠেছে, ওসির বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপ কল করে বিজেপির এক নেতাকে তৃণমূলে যোগদান করার প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দু হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ”আমি সতর্ক করে দিয়ে গেলাম। মনে রাখবেন তৃণমূল আপনাদের বেতন দেয় না। ট্যাক্সের টাকায় বেতন পান। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করতে বলবেন।”
শুক্রবার সকালে মহিষাদলে বিজেপি দ্বন্দ্ব মেটাতে অভিমানী বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের বাড়িতে যান শুভেন্দু অধিকারী। দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পর বিশ্বনাথকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু বলেন, ”উনি একটু অভিমান করেছিলেন। তবে দল ছাড়ার কোনও প্রশ্নই নেই। আগামিদিনে ডবলের বেশি ভোটে মহিষাদল বিধানসভা থেকে বিজেপির বিধায়ক নির্বাচিত করা আমাদের মূল কাজ।”
মহিষাদলে দলকে প্রতিষ্ঠার কারিগর হওয়া সত্ত্বেও বিজেপির প্রার্থী তালিকায় বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের স্থান হয়নি। এ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল। এই সমস্যা সমাধানে শুক্রবার মহিষাদলে পৌঁছান শুভেন্দু। বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”প্রথম থেকেই বলেছি, দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করার ব্যাপার নেই। সেই জায়গায় আক্ষেপ হয়েছিল। দাদা এসেছেন, দাদার সঙ্গে কথা হয়েছে।”
দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করার পর শুভেন্দু মহিষাদল থানায় যান। মহিষাদল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক না থাকায় ডিউটি অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। অভিযোগ, এক তৃণমূল নেতার নাম উল্লেখ করে তৃণমূলে যোগদানের জন্য বিশ্বনাথকে ফোন করেছিলেন ওই থানার ওসি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে উনি এবং আরেক পুলিশ অফিসার কথা বলেছেন, যা পুলিশের কাজ নয়।
তবে এতসবের পরও কি বিজেপির দ্বন্দ্ব পুরোপুরি মিটল? প্রার্থীর সঙ্গে জেলার জেনারেল সেক্রেটারি সোমনাথ ভুঁইয়াকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না। তিনিও মহিষাদল বিধানসভার প্রার্থী দাবিদার ছিলেন। রাজনৈতিক মহলে এখনও এই বিষয় নিয়ে গুঞ্জন চলছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top