খেলা – গতবারের সন্তোষ ট্রফি জয়ী বাংলা দল এ বছরও ঘটা করে ট্রায়াল শুরু করেছিল। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ফুটবলাররা যেমন এসেছিলেন, তেমনই প্রিমিয়ার ডিভিশনের খেলোয়াড়রাও হাজির হয়েছিলেন মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে। আটদিন ধরে ট্রায়াল চললেও হঠাৎই বাধা আসে। মাঠের অভাবে ট্রায়ল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় সঞ্জয় সেনের তত্ত্বাবধানে থাকা বাংলা দল। কারণ, মহামেডান কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়—আর মাঠ দেওয়া সম্ভব নয়। এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আইএফএ-কে জানিয়ে দেন ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি কামারুদ্দিন।
মহামেডানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্লাবের যুব দলের অনুশীলন চলবে এবং মাঠের পরিচর্যার জন্য মাসে লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়। তাই বাংলার ট্রায়াল অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। যদিও ময়দানে আরও অনেক ক্লাবের মাঠ রয়েছে, তবুও মহামেডানের তরফে নিজের দলের প্রয়োজনে মাঠ ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তই শেষ কথা ছিল। ইস্টবেঙ্গলও জানিয়ে দেয় যে তারা নিজেরাও ট্রায়ালে ইস্টবেঙ্গল গ্রাউন্ড ব্যবহার করে না। তাই ট্রায়ালের জন্য মাঠ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে দল গঠনের পর বাংলার অনুশীলনের প্রয়োজনে মাঠ ব্যবহারে তাদের আপত্তি নেই। অন্যদিকে মোহনবাগান কর্তৃপক্ষের দাবি—বাংলা দলের তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবই তাদের কাছে আসেনি।
পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় আইএফএ ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত জানান, সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের অনুশীলন মাঠ ট্রায়ালের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। সোমবার থেকেই ফের শুরু হবে সন্তোষ ট্রফির জন্য বাংলার চূড়ান্ত ট্রায়াল।




















