‘মানুষের বাজেট’কে হাতিয়ার করে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের প্রচার

‘মানুষের বাজেট’কে হাতিয়ার করে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের প্রচার

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রাজ্য বাজেটে জনমোহিনী প্রকল্পের ডালি সাজিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে আশা ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভাতা বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে সরকারের এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’কে সামনে রেখেই এবার ময়দানে নামল শাসকদল। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ, শুক্রবার রাজ্যজুড়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বাজেটের সুফল সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রচার শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেস।
বৃহস্পতিবার বিধানসভায় অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেই বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বরাদ্দ এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ার, শিক্ষাবন্ধু ও আশাকর্মীদের আর্থিক সুরাহার কথা মাথায় রেখে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে নবান্ন। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সিদের জন্য ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের সূচনাও রাজনৈতিক মহলে বিশেষ নজর কেড়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই বাজেট আসলে সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই তৈরি করা ‘মানুষের বাজেট’। কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণের পালটা হিসেবেই মুখ্যমন্ত্রী বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি শাসকদলের।
এই বার্তা জনমানসে ছড়িয়ে দিতে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলায় সাংবাদিক বৈঠকে বসেন তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা। প্রতিটি বৈঠকেই মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, মোদী সরকার যেখানে শুধু প্রতিশ্রুতির কথা বলে, সেখানে বাংলার নেত্রী কথা দিয়ে কথা রেখেছেন। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে দার্জিলিংয়ের পাহাড়—সব জায়গায় যেন এই সরকারি পরিষেবার বার্তা পৌঁছায়, সেদিকেই বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে বিরোধীরা এই বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, লোকসভা ভোটকে সামনে রেখেই এই খয়রাতির রাজনীতি। তবে শাসকদল সেই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের পাল্টা বক্তব্য, সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি ফেরাতে এই সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। সাংবাদিক বৈঠক থেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দিয়েছে, আগামী দিনে এই বাজেটের প্রাপ্তিকেই প্রচারের প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top