শাড়ি পরে ঢোকা যাবে না, দিল্লির রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ,

শাড়ি পরে ঢোকা যাবে না, দিল্লির রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ,

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram
মারাত্মক

শাড়ি পরে ঢোকা যাবে না, দিল্লির রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ। দিন কয়েক আগের ঘটনা। মেয়ের জন্মদিনে পূর্ব দিল্লির আনসল প্লাজার এক পানশালা ও রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে গিয়েছিলেন অনিতা চৌধুরি নামের এক সাংবাদিক। কিন্তু সেখানে কার্যত হেনস্থার শিকার হতে হয় তাঁকে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, শাড়ি পরে রেস্তোরাঁয় ঢুকতে গেলে বাধা দেওয়া দেওয়া ওই সাংবাদিককে। যা নিয়ে তোলপাড় পড়েছিল রাজধানীতে। এবার সেই রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ উঠল। যে কারণে বন্ধ হয়ে গেল রেস্তোরাঁর দরজা।

 

অভিযোগ উঠেছে, রেস্তোরাঁটি স্বাস্থ্য বিষয়ক ছাড়পত্র ছাড়াই এতদিন ব্যবসা চালাচ্ছিল। সেই কারণে গত ২৪ সেপ্টেম্বরই রেস্তোরাঁ বন্ধের নোটিস পাঠিয়েছিল দক্ষিণ দিল্লি পুরসভা। এর পর বাধ্য হয়েই রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দেন মালিক। শুধু তাই নয়, ওই রেস্তোরাঁর খাবারের মান নিয়েও বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ জমা পড়েছিল। এছাড়াও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে রেস্তোরাঁটি। রান্নাবান্নাও অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর।

 

সেই সূত্রেই তদন্ত কমিটি তৈরি করে পুরসভা। সেই তদন্তেই উঠে আসে ওই রেস্তোরাঁর স্বাস্থ্য বিষয়ক ছাড়পত্র অর্থাত্‍ হেল্থ লাইসেন্সই নেই। সেই লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা চালাচ্ছিল রেস্তোরাঁটি। এরপরই রেস্তোরাঁ বন্ধের নোটিশ দেয় দক্ষিণ দিল্লি পুরসভা। এরপর বাধ্য হয়েই রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেন মালিক। তিনি জানিয়েছেন, লাইসেন্স নিয়ে ফের রেস্তোরাঁটি চালু করা হবে।

 

আর ও পড়ুন   আইকোর মামলায় আজ সিবিআই দফতরে শোভন-বৈশাখী

 

যদিও ওই রেস্তোরাঁটি আলোচনায় উঠে আসে মহিলা সাংবাদিককে শাড়ি পরে ঢুকতে না দেওয়ার ঘটনা থেকেই। রেস্তোরাঁর ওই ব্যবহারে ক্ষুব্ধ হয়ে মধ্যবয়সী মহিলা সোচ্চার হন সোশ‌্যাল মিডিয়ায় । একটি ভিডিও পোস্ট করে ট্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ অন্যদের। ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে জাতীয় মহিলা কমিশনও। জবাব তলব করা হয় রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের কাছে।

 

যদিও রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সেই অস্বীকার করেছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল, পোশাক নিয়ে কারও কোনও আপত্তি ছিল না। সভ্য পোশাক পরে রেস্তোরাঁয় এলে বাধা দেওয়ার কথা নয়। যদি কোনও কর্মী শাড়ি নিয়ে কথা বলেন, সেটা তার ব্যক্তিগত মতামত।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top