রাজ্য – মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় নির্মিত একটি মসজিদকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের ঝড় উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জেইউপি প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, কবীর এই সমস্ত অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন। একই দিনে বিজেপিতে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির যোগদান রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিরোধী দলনেতার দাবি, বেলডাঙায় নির্মিত মসজিদটি নাকি বাবরি মসজিদের আদলে তৈরি হয়েছে এবং এর অর্ধেক তহবিল বাংলাদেশ থেকে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, ওই অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে হুমায়ুন কবীর গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর এক সপ্তাহের জন্য বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন। Suvendu Adhikari আরও দাবি করেন, এই অর্থ বাংলাদেশি দাতা ও জামাত-ঘনিষ্ঠ শক্তিগুলির কাছ থেকে এসেছে।
এছাড়া তাঁর বক্তব্য, সংখ্যালঘু সমাজের মধ্যে Mamata Banerjee-বিরোধী হাওয়া সামাল দিতে কবীর গোপনে তৃণমূলকে সাহায্য করছেন। তিনি কবীরকে ‘জামাত ও তৃণমূলের যোগসূত্র’ বলেও কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে ইসলামিক মৌলবাদী শক্তির প্রভাব বাড়ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি এবং দাবি করেন, এতে বাঙালি হিন্দুদের জন্য পরিস্থিতি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুন কবীর সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিরোধী দলনেতার মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে নির্দিষ্ট সময়ে তিনি বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর সফরসূচি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ছিল এবং লুকোনোর কিছু নেই। কবীরের কথায়, ১০ অক্টোবর বিকেল ৫টায় মালদা হয়ে তিনি দেশে ফেরেন এবং প্রয়োজনে ভ্রমণসূচি প্রকাশ করতেও তিনি প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, তাঁর বাংলাদেশ সফরকে মসজিদের অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও নীচ রাজনীতি। তাঁর দাবি, দেশজুড়ে বহু মানুষ স্বেচ্ছায় দান করেছেন এবং পুরো অর্থসংগ্রহ প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি তিনি Suvendu Adhikari-কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে সিবিআই বা ইডি দিয়ে তদন্ত করানো হোক। উল্লেখযোগ্যভাবে, ৬ ডিসেম্বর, বাবরি মসজিদ ভাঙার দিনে এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল, যা ঘিরেও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।




















