মেয়ের স্মৃতিকে শক্তি করে ভোটের লড়াইয়ে, পানিহাটিতে মনোনয়ন জমা দিলেন রত্না দেবনাথ

মেয়ের স্মৃতিকে শক্তি করে ভোটের লড়াইয়ে, পানিহাটিতে মনোনয়ন জমা দিলেন রত্না দেবনাথ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – একই তারিখে জন্ম ও মৃত্যুর বেদনাময় স্মৃতি বুকে নিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে প্রথম পা রাখলেন আরজি করের নির্যাতিতার মা। ৯ এপ্রিল, সেই বিশেষ দিনটিকেই প্রতীকী করে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে Bharatiya Janata Party প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন Ratna Debnath। ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর মেয়ের জন্মদিন, আর ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট RG Kar Medical College and Hospital-এর সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হয় তরুণী চিকিৎসকের নিথর দেহ—এই দুই তারিখের গভীর আবেগই তাঁর লড়াইয়ের প্রেরণা হয়ে উঠেছে।
নিজের কথায়, এই ৯ তারিখই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাই এই দিনটিকেই তিনি বেছে নিয়েছেন সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। এদিন সকাল থেকেই পানিহাটিতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ভিড় চোখে পড়ে। অমরাবতী এলাকা থেকে সোদপুর ট্রাফিক মোড় পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়, যেখানে বিপুল সংখ্যক সমর্থক অংশ নেন। স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিল এগিয়ে যায় ব্যারাকপুরের দিকে, সেখানেই গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থী।
মিছিল শেষে সোদপুর ট্রাফিক মোড়ে অনুষ্ঠিত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেত্রী Smriti Irani এবং Biplab Deb-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সভা থেকে একজন মায়ের এই লড়াইকে সম্মান জানিয়ে নারী সুরক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন স্মৃতি ইরানি।
প্রার্থী রত্না দেবনাথ জানান, তাঁর জয় শুধু ব্যক্তিগত নয়, এটি হবে পানিহাটির মানুষের এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের জয়। মেয়ের স্মৃতি তাঁকে প্রতিনিয়ত শক্তি জোগায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি জানাতে আহ্বান জানিয়ে আশ্বাস দেন, জয়ী হলে সেই সমস্যাগুলি বিধানসভায় তুলে ধরবেন।
নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা রুখতে উদ্যোগী হওয়ার অঙ্গীকারও করেন তিনি। যদিও একই দিনে পানিহাটিতে Mamata Banerjee-এর সভা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি এই বিজেপি প্রার্থী। এদিনের কর্মসূচি ঘিরে পানিহাটিতে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল তুঙ্গে, আর এই আবেগঘন লড়াই ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top