
নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম, ৫ মার্চ, সরকারি প্রকল্পের জমিতে মৎস্য চাষ কারা করবে, রাজ্যের মৎস্য দপ্তর নাকি গ্রাম্য সমবায় সমিতি। জমির লিজ কে পাবে সেই নিয়ে অশান্তি। সমবায় কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার নেতার ঘটনাস্থলে শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ।
শান্তিনিকেতন থানার আমার কুটিরে সরকারি জমিতে লিজ নিয়ে মৎস্য চাষ করতো গ্রাম্য সমবায় সমিতি। তারা দীর্ঘদিন ধরে এই জমি লিজ নিয়ে চাষ করতো। কিছুদিন আগে তাদের লিজ শেষ হয়ে যায়। তারপর এই স্থানে রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তর বড় প্রকল্প করার জন্য পুকুর খনন সহ অন্যান্য কাজ শুরু করে দেয়। সেইমতো পুরনো সমবায়ের যে বোর্ড ছিল তা তুলে দিয়ে সেখানে মৎস্য দপ্তরের লাগিয়ে দেওয়া হয়।এই ঘটনার পর থেকেই সমবায় কর্মরত কর্মীদের সঙ্গে অশান্তি শুরু হয়ে যায়। সমবায় কর্মীদের দাবি এই জমি লিজ এখনো অবধি কেউ পায়নি। তাদেরকে লিজ দেওয়া হবে না সেই জন্য রাজ্য সরকার জোর করে এখানে প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিয়েছে। তার সাথেই কর্মীদের চলে যাওয়ার জন্য জোর করা হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যে সমবায়ের কাছে এই জমির ছিল তার কর্মীরা না যেতে চাইলে বৃহস্পতিবার স্থানীয় রুপপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি কাজী নুরুল হুদা ও তার দলবল এসে কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ। সমবায়ের দুই জন কর্মীকে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। যদিও অঞ্চল সভাপতি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন রাজ্য সরকারের প্রকল্পের জন্য কাজ শুরু হয়েছে।সেখানে পুরনো কর্মীদের রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছিলাম। কোনরকম মারধর করা হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে প্রকল্পের স্থানে এসে পৌঁছয় শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ। তারা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে।


















