কলকাতা | আদালত ও রাজনৈতিক খবর
যাদবপুরে বামেদের বুকস্টল ভাঙচুরের অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিপিএমের যাদবপুর এরিয়া কমিটি। পুলিশের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ক্ষতিপূরণও দাবি করেছিল তারা। মঙ্গলবার সেই মামলা খারিজ করে দিলেন বিচারপতি পার্থপ্রতিম রায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ। নৈহাটি ও বনগাঁয় বামেদের বুকস্টল সংক্রান্ত মামলা প্রধান বিচারপতির এজলাসে বিচারাধীন থাকায় যাদবপুরের বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কোনও নির্দেশ দিতে চায়নি আদালত।
যাদবপুরে বুকস্টল ভাঙচুরের ঘটনায় আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিল সিপিএমের যাদবপুর এরিয়া কমিটি। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদনও জানানো হয়। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। তবে একই ধরনের বুকস্টল সংক্রান্ত মামলা অন্য এজলাসে বিচারাধীন থাকায় যাদবপুরের মামলাটি খারিজ করে দেয় আদালত।
এদিকে, বামেদের মামলা খারিজ হওয়ার পর বুকস্টল বিতর্কে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আমরা সব বইপ্রেমী, কেউ বইবিরোধী নই।” তাঁর দাবি, সরকার বা পুরনিগম যা করেছে, তা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই করেছে। একইসঙ্গে কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার বার্তা দেন তিনি।
বুকস্টল বিতর্কে বামেদের অবস্থানের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যারা দুর্গাপুজো বা অন্যান্য পুজো মানে না, তাদের পুজোর সময় বই বিক্রি করতে না দেওয়াই ভালো। তাঁর পরামর্শ, বামপন্থী তত্ত্বের বই পার্টি অফিসের ভিতরে রাখা যেতে পারে।
যাদবপুরের বুকস্টল ভাঙচুরের অভিযোগ, ক্ষতিপূরণের দাবি এবং আদালতের পদক্ষেপ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত। নৈহাটি ও বনগাঁর বুকস্টল সংক্রান্ত মামলাগুলির পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।




















