বিদেশ – যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহের মধ্যেই মার্কিন প্রশাসনে বড় রদবদল করলেন Donald Trump। আমেরিকার স্বরাষ্ট্র দফতরের সচিব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে Kristi Noem–কে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পাচ্ছেন Markwayne Mullin। জানা গিয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ থেকে নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন তিনি। বর্তমানে তিনি Oklahoma–এর রিপাবলিকান সেনেটর হিসেবে পরিচিত।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি Donald Trump। কেন Kristi Noem–কে সরানো হল সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, দায়িত্বে থাকাকালীন সীমান্ত সুরক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ক্রিস্টি। পাশাপাশি তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি বিশেষ দায়িত্বও দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নতুন করে পশ্চিম গোলার্ধের নিরাপত্তা নিয়ে একটি উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং সেই ঘোষণা Florida থেকে করা হবে বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকার প্রভাব আরও জোরদার করার কথা বলে আসছেন Donald Trump। বিশেষ করে Cuba নিয়ে তাঁর কড়া অবস্থানের কথা বহুবার সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে কিউবা এবং Greenland–এ সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে মার্কিন আইনসভার দুই কক্ষ যুদ্ধ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়ার পর Iran–কে লক্ষ্য করে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে বলে খবর Pentagon সূত্রে। ঠিক এই সময়েই স্বরাষ্ট্র সচিব পদে পরিবর্তন ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বহুদিন ধরেই Kristi Noem–এর কাজকর্ম নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন রিপাবলিকান দলের একাংশ। বিশেষ করে ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতি যথাযথভাবে কার্যকর না করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এছাড়াও Minneapolis–এ অভিবাসন আধিকারিকদের উপর হামলায় দুই জনের মৃত্যুর ঘটনায়ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। এইসব বিতর্ক এড়াতেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে মতামত তৈরি হয়েছে।
নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলা Markwayne Mullin–কে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলেই মনে করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করা, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং অভিবাসন সংক্রান্ত অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবেন মুলিন। ফলে তাঁর হাত ধরেই আগামী দিনে আমেরিকার সীমান্ত নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান দেখা যেতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



















