রাজ্যের ডিজিটাল সিঙ্গল উইন্ডো ড্রাইভার পোর্টাল পেল জাতীয় স্বীকৃতি, মমতার উদ্যোগে সহজ ও স্বচ্ছ পরিষেবা

রাজ্যের ডিজিটাল সিঙ্গল উইন্ডো ড্রাইভার পোর্টাল পেল জাতীয় স্বীকৃতি, মমতার উদ্যোগে সহজ ও স্বচ্ছ পরিষেবা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – বিরোধীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সমালোচনা যতই করুক, রাজ্য সরকারের কাজের স্বীকৃতি তারই যথেষ্ট জবাব। আগেও একাধিকবার রাজ্য সরকারের প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকার থেকে স্বীকৃতি পেয়েছে। এমনকি বিদেশের মাটিতেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্প প্রশংসিত হয়েছে। এবার রাজ্য সরকারের ডিজিটাল পরিষেবা উদ্যোগ আরও একবার জাতীয় স্বীকৃতি পেল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘অনুমোদন’ নামে সিঙ্গল উইন্ডো ড্রাইভার অনুমোদন প্রদানকারী পোর্টাল ডিজিটাল রূপান্তর সংক্রান্ত জাতীয় সম্মেলন ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং জনপরিকাঠামো উন্নয়ন বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সাফল্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “রাজ্য সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দফতরের অধীনে ওয়েবেল সংস্থার তৈরি এই পোর্টাল প্রশাসনিক পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ। এক জানালার মাধ্যমে ড্রাইভার অনুমোদন সংক্রান্ত সমস্ত পরিষেবা প্রদান এখন অনেক সহজ, স্বচ্ছ এবং দ্রুততর হয়েছে।” বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, এই পোর্টালের মাধ্যমে বাণিজ্যিক যানচালকদের প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্রের আবেদন, যাচাই এবং অনুমোদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে সময়ের সাশ্রয় হচ্ছে, ভোগান্তি কমছে এবং পরিষেবায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ ইতিমধ্যেই এই সুবিধা উপভোগ করছেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও লিখেছেন, “জানাতে পেরে আনন্দিত যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সিঙ্গল উইন্ডো ড্রাইভার অথরাইজেশন জেনারেশন পোর্টাল অনুমোদন, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রযুক্তি বিভাগের তত্ত্বাবধানে ওয়েবেল দ্বারা তৈরি, গভর্নেন্স নাও ষষ্ঠ ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট এবং ডিজিটাল পরিকাঠামো ও পাবলিক পরিকাঠামো উন্নয়নে উৎকর্ষতা বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে।”
তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের এক অফিসার জানান, রাজ্যের ডিজিটাল জনপরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে ভবিষ্যতে নানা সরকারি পরিষেবাকেও একই ধরনের একক প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই সাফল্যের জন্য প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত অফিসার ও প্রযুক্তিবিদদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এছাড়া, এআই ব্যবহারের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে বাংলার মানুষ বাড়িতে বসেই দ্রুত এবং সহজে সরকারি পরিষেবা পেতে পারে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top