উত্তর 24 পরগণা – রাজ্যজুড়ে SIR শুনানির কাজ চলছে। বয়স্ক ও অসুস্থদেরও শুনানি কেন্দ্রে টেনে আনা হচ্ছে। অনেকেই শারীরিক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও নথি হাতে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্নরাও এই হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বসিরহাটের দু নম্বর ব্লকের ধান্যকুড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের কথা বিশেষভাবে নজরে এসেছে। ৭০ বছর বয়সী ফিরোজা খানম এবং ৮০ বছরের কাজী মকবুল আরেফিনকে ডেকে পাঠানো হয়েছে শুনানির জন্য। মকবুল প্রায় ৯০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। নির্বাচনের নির্দেশ ছিল, এদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করা হবে। তবুও অসহায় অবস্থায় তাদের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, কমিশনের ক্রমাগত পরিবর্তিত নির্দেশিকার কারণে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বহু বয়স্ক ব্যক্তি ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছেন এবং দেশে বংশপরম্পরায় বসবাস করছেন। তবুও নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়ায় তাদের উপর প্রহসন চালানো হচ্ছে।
এদিকে শুনানির আতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ছেলেদের নামের শেষে বাবার পদবি না থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় দুই ছেলেকে, যার ফলে আতঙ্কের কারণে মালদার মানিকচকের নূরপুর নিচু তিওরপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ সরিফুল অসুস্থ হয়ে মারা যান। SIR কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে এবং শুনানির আতঙ্ক আরও বেড়েছে।



















