কলকাতা – শেষ হল ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা (49th International Kolkata Book Fair)। বই উৎসবের শেষ দিনেও পুস্তকপ্রেমীদের মুখে ছিল চওড়া হাসি। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের তরফে জানানো হয়েছে, এ বছর বইমেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা ও বই বিক্রি—দুটিই রেকর্ড ছুঁয়েছে।
গিল্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর কলকাতা বইমেলায় প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষ এসেছিলেন। এ বছর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ লক্ষে। শুধু উপস্থিতিই নয়, বই বিক্রির ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে বলে জানিয়েছে গিল্ড। বই উৎসবের শেষ দিনে বহু স্টলে ১০ শতাংশ ছাড়ের বদলে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ায় ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের সভাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “২০২৬ সালে বইমেলায় বিক্রি বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ। গত বছর যেখানে প্রায় ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল, এ বছর তা বেড়ে প্রায় ২৬ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে।” তাঁর মতে, পাঠকের আগ্রহ এবং বইমেলার জনপ্রিয়তাই এই সাফল্যের মূল কারণ।
বইমেলার শেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “এই বইমেলা বাংলার গর্ব আরও বাড়িয়েছে। জনসমাগমের রেকর্ড ভেঙে আবার নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে কলকাতা বইমেলা।”
আগামী বছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা পা দিচ্ছে সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তুলতে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে চাইছে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড। পুস্তকপ্রেমীদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও উন্মাদনাকে মাথায় রেখেই আগামী বছরের বই উৎসব আরও বড় আকারে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।




















