রোজকার মেনুতে ঠিক কতগুলি ডিম রাখবেন?

রোজকার মেনুতে ঠিক কতগুলি ডিম রাখবেন?

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

রায়া সাধুঃ সানডে হো ইয়া মানডে, রোজ খাও আণ্ডে। ভেতো বাঙালিরা মাছ ভাতে খুষি হলেও ডিমের পদে কিন্তু বেশ খুশি হন। ডিমের মালাইকারী থেকে শুরু করে ডিমের স্পাইসি রেসিপি হলে তো কথা নেই। পাতটা এক্কেবারে চেটেপুটে সাবাড় করেন। এই হাই প্রোটিন খাদ্য আপনার শরীরে কতটা প্রোয়োজন তা জেনে খাওয়াই শ্রেয়। নইলে এই হাই প্রোটিন মারফৎ আপনার শরীরে প্রবেশ করছে নানা রোগ। তাই এবার থাকছে ডিম প্রেমীদের জন্য কিছু টিপস।


চিকিৎসকদের মতানুসারে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক দিনে তিন থেকে চারটি ডিম খেতে পারেন। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে তা একেবারে নৈব নৈব চ। সপ্তাহে একটির বেশী ডিম খাওয়া উচিত নয়। আর যদি এলার্জির প্রবণতা থাকে তবে তো মোটেই নয়। একটি ডিমের কুসুমে আশি থেকে তিনশো মিলি গ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। তবে ডিমের সাদা অংশ কোলেস্টেরল থাকে না, তাই ডিমের সাদা অংশ একটু বেশী খেলে ক্ষতি নেই। এই প্রাণিজ প্রোটিনের মধ্যে অনেক বেশী পরিমাণে হাই প্রোটিন থেকে থাকে। তাই সাত সকালের ব্রেকফাস্টে যদি একটা সিদ্ধ ডিম খাওয়া যায় তবে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে, কাজের এনার্জিতে ঘাটতি পড়ে না। ক্ষিদে কম পায়। তবে মধুমেহ কিংবা হৃদজনিত রোগে আক্রান্তরা ডিম খাওয়ার দিক দিয়ে একটু সাবধানতা অবলম্বন করবেন। অপরদিকে, পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন যে, ময়দা কিংবা অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে ডিম মিশিয়ে খাওয়ার থেকে সিদ্ধ ডিম খাওয়া শ্রেয়। শুধু তাই নয়, ডিমের অমলেট কিংবা তেলে ভাজা ডিমের রেসিপিতে ডিমের পুষ্টিগুণ বহুলাংশে লোপ পায়। তাই, চিকিৎসকরা সিদ্ধ ডিম খাওয়ার উপদেশ দিচ্ছেন। তাই, সব শেষে বলা যেতেই পারে যে, গোটা মুরগী খেতে বেশ সুস্বাদু কিন্তু রোজ নিয়ম মাফিক খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ঢের ভালো।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top