
১১ এপ্রিল, করোনা আতঙ্কে গোটা দেশ, করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকারের।করোনা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার জন্য আজ সকাল ১১টায় বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী।ভিডিও-কলের দ্বারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তিনি সাথে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।
লকডাউন বাড়ানোর কথায় সহমত খোদ মুখ্যমন্ত্রীও।তবে লকডাউনের জেরে রাজ্যের শোচনীয় অবস্থার কথা সামনে রাখলেন তিনি।জিডিপি তলানিতে এসে ঠেকেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ। সরকারি তহবিলেও অর্থ ঢুকছে না। এই অবস্থায় রাজ্যের অর্থনীতিকে সচল রাখতে কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ দাবি তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পাশাপাশি রাজ্যের একটা বিশাল অংশের মানুষকে এই সময় গণবণ্টনের মাধ্যমে খবর নিখরচায় খাবার পাঠাতে হচ্ছে। গোডাউন থেকে পণ্য পরিবহণ করে রাজ্যের উপভোক্তাদের হেঁশেল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে বিশাল অঙ্কের অর্থ খরচ হচ্ছে। এই পুরো খরচটাই বহন করতে হচ্ছে রাজ্যের কোষাগার থেকে। আবার করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয় হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্র থেকে সেইভাবে কোনও আর্থিক সাহায্য রাজ্যে আসেনি, এমনটাই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, COVID-19 মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে কেন্দ্র সম্প্রতি ১৫ হাজার কোটি বরাদ্দ করেছে। যা নিয়ে অসন্তুষ্ট বিরোধী দলগুলি। আজ ৪টে সাংবাদিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দেশের শোচনীয় অবস্থা আটকাতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলেছেন বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের।যদিও চলতি লকডাউন মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা চলতি লকডাউনের মেয়াদ।কিন্তু আজ থেকেই দেশের বেশ কিছু জায়গা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে অর্থাৎ সেই সমস্ত জায়গায় করোনা আক্রান্তের সম্ভাবনা খুব বেশি, এর জেরে সেই সকল জায়গায় আজ থেকে পুরোপুরি লকডাউন করা হয়েছে।লকডাউনের জেরে এই করোনা আতঙ্ক কতটা ঠেকানো যেতে পারে তাই এবার দেখবার বিষয়।



















