
নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূম, ৭ এপ্রিল, ‘গোদের উপর বিষফোঁড়া’, একই তো দেশ ভুগছে করোনা সংকটে, আমজনতা লকডাউনে কাজ হারিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন আর ঠিক তখনই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো বীরভূমে। মঙ্গলবার দুপুর বেলায় অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই শতাধিক দোকান। ঘটনাস্থলে দমকলের চারটি ইঞ্জিন পৌঁছায়, লড়াই চলে বাকি দোকানগুলিকে বাঁচানোর।
মঙ্গলবার দুপুর বেলা হঠাৎ করে কোনো কারণবশত আগুন ধরে যায় বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত সিউড়ি বাসস্ট্যান্ডের পিছনে থাকা বাজারে। যে বাজার এলাকায় ‘কোর্ট বাজার’ বলে পরিচিত। এখানে ফুটপাতের ধারে কয়েকশো দোকান রয়েছে, যে দোকানগুলির বেশিরভাগই কাপড়ের দোকান, এছাড়াও রয়েছে অন্যান্য দোকানও। আর এখানে আগুন লেগে সেই আগুন হু হু ছড়িয়ে পড়ে। নিমেষের মধ্যে আগুন ধরে যায় একের পর এক দোকানে। খবর দেওয়া হয় দমকলবাহিনীকে। দমকলবাহিনীর ৪টি ইঞ্জিনে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। তবে ততক্ষণে ক্ষতির সম্মুখীন কয়েকশো অস্থায়ী দোকান ও দোকানের মালিকরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “লকডাউন চলাই এমনিতেই দোকানপাট বন্ধ ছিল। হঠাৎ করে আজ শক সার্কিট অথবা অন্য কোন কারণে আগুন ধরে যায়। তারপর সেই আগুন ধীরে ধীরে গ্রাস করতে থাকে অন্যান্য দোকানগুলিকে। কয়েকশো দোকান ক্ষতির সম্মুখীন, টাকার পরিমাণটা এখনই আন্দাজ করা সম্ভব নয়।” স্থানীয়দের অভিযোগ, “দমকলের ইঞ্জিন আসতে দেরি করে।”
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সিউড়ি পৌরসভার পৌরপতি উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম জেলা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন প্রশাসনিক কর্তা। উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় জানান, “ভয়াবহ এই আগুনের কারণে কয়েকশো দোকান ক্ষতিগ্রস্ত। কয়েক ঘণ্টার দমকলবাহিনীর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আমরা এবিষয়ে তদন্ত করে দেখব ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কতটা দাঁড়ানো যায়।” তবে তিনি দমকলবাহিনীর দেরিতে আসার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “দমকল বাহিনী সঠিক সময় এসেছে বলেই বাকি দোকানগুলিকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে, আর তা না হলে সব পুড়ে ছাই হয়ে যেত।”



















