নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া, ৩১ মার্চ, লকডাউনের পর কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে জনজীবন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া বাকি সমস্ত দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।এরমধ্যে হঠাৎ মিষ্টির দোকান খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তাঁর নির্দেশ মতো দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকল সমস্ত মিষ্টির দোকান।
এরপর মিষ্টির দোকান খোলা নিয়ে শুরু হল জোর সমালোচনা।অনেকে মনে করেছে এ সময় মিষ্টির দোকান খোলার কোনও প্রয়োজন ছিল না কারণ মিষ্টি কোনও আবশ্যিক খাদ্য নয়।অন্যদিকে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা জানান, এ কোটা দিন এই ব্যবসা বন্ধ থাকলে এমন কোনও ক্ষতি হবে না।তবে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই দোকান খুলতে রাজি হতে হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী কে ধন্যবাদ জানিয়ে তারা জানান, বাড়ির পুজোর মিষ্টি, শিশু রোগীদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত ছানা, পরলোকে ক্রিয়া কর্মাদিতে ব্যবহৃত ছানা ঘি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আবশ্যিক খাদ্য দ্রব্যের মধ্যেই পড়ে। তা বাদেও শুধুমাত্র মিষ্টির দোকান বন্ধ হওয়ার কারণে ফেলা যাচ্ছে লিটার লিটার দুধ! তাই সমস্ত দিক বিচার করেই মুখ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত।



















