দেশ – লোকসভায় মাওবাদী আন্দোলন নিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি সরাসরি আক্রমণ শানালেন বামপন্থী সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে, পাশাপাশি কংগ্রেস নেতা Rahul Gandhi-কেও কাঠগড়ায় তুললেন।
অমিত শাহ দাবি করেন, ভারতে বামপন্থী আন্দোলনের সূত্রপাতই হয়েছিল বিদেশি প্রভাবের ফলে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯২৫ সালে Communist Party of India-র প্রতিষ্ঠা হয়, যা রাশিয়ায় বামপন্থী শাসন প্রতিষ্ঠার পরপরই। এরপর ১৯৬৪ সালে সিপিআই (এম) এবং ১৯৬৯ সালে সিপিআই (এমএল)-এর জন্ম হয়। তাঁর অভিযোগ, বিশেষ করে সিপিআই (এমএল) সংসদীয় গণতন্ত্রের বিরোধিতা করে সশস্ত্র আন্দোলনের পথ বেছে নেয় এবং অধিকারের লড়াইয়ের নামে সহিংসতা ছড়ায়।
এদিন রাহুল গান্ধীকেও তীব্র আক্রমণ করেন শাহ। তাঁর অভিযোগ, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত এক মাওবাদী নেতার সমর্থনে স্লোগান ওঠার সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরাও নকশাল আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
‘লাল সন্ত্রাস’ দমনে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ৩১ মার্চের মধ্যে এই সমস্যার মোকাবিলায় নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সেই প্রেক্ষিতে ছত্তিশগড়ের সুকমায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এক মাওবাদীর মৃত্যুকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন শাহ।
এছাড়াও তিনি জানান, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ে একাধিক নাশকতার সঙ্গে যুক্ত চেল্লুরি নারায়ণ রাও ওরফে সুরেশ আত্মসমর্পণ করেছেন, যা নিরাপত্তা বাহিনীর বড় সাফল্য। তবে একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, কেউ যদি অস্ত্র হাতে নেয়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দেন, সরকার সব সমস্যা শুনতে এবং তার সমাধান করতে প্রস্তুত।
মাওবাদী ইস্যুতে এই কড়া বার্তা এবং রাজনৈতিক আক্রমণ ঘিরে সংসদে নতুন করে বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে।




















