
নিজস্ব সংবাদদাতা,বীরভূম ,৩১ শে মে:শান্তিনিকেতনের কলাবিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের শিল্পী কর্ম প্রদর্শনী রূপে দেখানো হবে সর্বসাধারণের জন্য।
কলা ভবনের ১০০বছর পূর্তি উপলক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের শিল্পকর্মের প্রদর্শনীর জন্য এক অভূতপূর্ব ব্যবস্থা গ্রহণ করল বিশ্বভারতীর কলাভবন কর্তৃপক্ষ। প্রতিবছর পরীক্ষার জন্য পড়ুয়াদের যে শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হত শান্তিনিকেতনের নন্দন আর্ট গ্যালারিতে তা শুধু কলা ভবনের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল এবং পরীক্ষকদের ঘণ্টাখানেকের মূল্যায়নের পরপরই শেষ হয়ে যেত প্রদর্শনী।
এ বছর তার ব্যতিক্রম হচ্ছে। “পেইন্টিং, স্কাল্পচার, মিউরাল, গ্রাফিক- আর্ট, ডিজাইন ও আর্ট হিস্ট্রির বি.এফ.এ. (ব্যাচেলরস্ অফ ফাইন আর্টস) এবং এম.এফ.এ. (মাস্টার্স অফ ফাইন আর্টস) এর শেষবর্ষের পড়ুয়াদের বার্ষিক মূল্যায়নের পর প্রদর্শনী খুলে দেওয়া হবে সাধারণের জন্য এবং তা চলবে তিন দিন।
উল্লেখ্য বি.এফ.এ. ছাত্র-ছাত্রীদের প্রদর্শনী চলছে ৩oশে মে থেকে ১লা জুন এবং এম.এফ.এ. পড়ুয়াদের শিল্পকলা প্রদর্শিত হবে ৬থেকে ৮জুন। গত বছর পর্যন্ত পরিসরও ছিল অল্প, শান্তিনিকেতনের নন্দন আর্ট গ্যালারিতে এই প্রদর্শনী হত কিন্তু এবছর শান্তিনিকেতনের নন্দন আর্ট গ্যালারি, নাট্যঘর সহ কলাভবন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্টুডিও কলা-সংগীত ভবনের বিশাল জায়গাজুড়ে প্রদর্শিত হবে ছাত্রছাত্রীদের শিল্পকর্ম “- বলে জানান কলা ভবনের অধ্যাপক
প্রশান্ত সাহু।
অপরদিকে উপচার্য বিদুৎ চক্রবর্তী মহাশয় জানান যে কলা বিভাগের প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রী আধ্যপক দের এই উদ্যোগ কে সাধু বাদ জানায় ।কলা বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের শিল্পী কর্ম ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্ব জুড়ে ও মানুষের মনে। শিল্পী ভবনা সব সময় পৃথিবী গড়ার উদ্যশ্যে, বলে প্রকৃতির কথা প্রকৃতিকে রক্ষা করার চিন্তা সকলের মাথায় আসবে । কলা বিভাগের
ছাত্র ছাত্রীরা জানান এই উদ্যোগ আমাদের কাছে বড় মঞ্চ যেখানে পারফরমেন্স করা যাবে অনুশীলন বাইরে শিক্ষার একটা দিক খোলা হয়েছে । এর জন্য ভবনের সমস্ত আধ্যপক অধ্যাপিকা দের সাধুবাদ জানান ।



















