রাজ্য – বাংলায় কে গড়বে সরকার—এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে All India Trinamool Congress এবং Bharatiya Janata Party-এর মধ্যে রাজনৈতিক দ্বৈরথ চরমে। একদিকে Narendra Modi ও Amit Shah রাজ্যে এসে একের পর এক সভা করছেন, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসও উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছে।
এই আবহেই নদিয়ার Shantipur-এর জনসভা থেকে আত্মবিশ্বাসী সুরে ফলাফল ঘোষণা করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “২৯৪টা কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী। ভোট না দিলে কিন্তু আপনাদের সঙ্গে আর সম্পর্ক রাখব না।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি পরিকল্পিতভাবে ভুয়ো প্রচার চালাতে পারে যে তারা এগিয়ে রয়েছে। তবে মানুষের উপর ভরসা রেখে তাঁর দাবি, এবার আরও বেশি আসন পেয়ে জয়লাভ করবে তৃণমূল।
একইসঙ্গে তিনি এই নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক লড়াই নয়, বরং মানুষের বাঁচার প্রশ্ন, বাংলার ভবিষ্যতের প্রশ্ন। তাঁর কথায়, মানুষের সমর্থন থাকলে তৃণমূল কংগ্রেসই আবার সরকার গড়বে।
অন্যদিকে, বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার পর প্রথম জনসভা থেকে Narendra Modi কোচবিহারে মালদার মোথাবাড়ি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন। তারই জবাবে মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা অভিযোগ করেন, অপরাধী ধরার ক্ষেত্রে রাজ্যের সিআইডি ভূমিকা নিলেও তাকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে রাজনৈতিক কারণে।
এসআইআর পর্বে নাম বাদ পড়া প্রসঙ্গেও এদিন সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই কারণে প্রায় ২৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাঁদের অনেকেই আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, “কাউকে বাংলা থেকে উচ্ছেদ হতে দেব না। আমরা ইতিমধ্যেই ২৫ লক্ষ নাম ভোটার তালিকায় তুলেছি, আরও তুলব। কেউ আত্মহত্যা করবেন না।” পাশাপাশি তিনি বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, ২০২৬ সালে তারা ক্ষমতায় থাকবে না, তাই ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।
সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে তৃণমূল ও বিজেপির এই তীব্র লড়াই।




















